Logo
×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে এস এম নজরুল ইসলাম নির্বাচিত আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেন চলবে : রেলপথ মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দু’মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি রোববার পবিত্র জমাদিউস সানি মাস গণনা শুরু হচ্ছে কাল বিভিন্ন ভাতার টাকা সরাসরি উপকারভোগীর মোবাইলে প্রেরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করাই বিএনপি’র স্বভাব : সেতুমন্ত্রী আবহমান বাংলার সংস্কৃতি লালন করুন : ঘুড়ি উৎসবে তথ্যমন্ত্রী ১৪ কোটি ভ্যাকসিন রাখার সক্ষমতা স্বাস্থ্যখাতের রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে বিশ্বে তুলে ধরতে জনকূটনীতির ওপর জোর দিচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় : পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার জঙ্গিদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর চেষ্টা করছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • আপডেট টাইম : 04/01/2021 10:18 PM
  • 60 বার পঠিত

 স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সাথে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানের চুক্তি করেছে। পাশাপাশি ভারত বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। ভারতের হাই কমিশনারও ভ্যাকসিন প্রদানে আশ্বাস দিয়েছেন। সব কিছু মিলে সরকার সময় মতোই ভ্যাকসিন পাবে।
আজ সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভ্যাকসিন সংক্রান্ত সাম্প্রতিক বিষয়াদি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রোববার একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে ভারত সরকার কর্তৃক অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন বিদেশে পাঠানোর নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে একটি সংবাদ প্রচার হলে সেটির প্রেক্ষিতে সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
জাহিদ মালেক জানান, সম্প্রতি ভারত সরকার তাঁদের দেশে অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন প্রদানের অনুমতি দিয়েছে। তবে, ভ্যাকসিন প্রয়োগে বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন লাগবে। এসব কারনে ওদের দেশেও ভ্যাকসিন প্রয়োগে আরো কিছুটা সময় লাগবে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভ্যাকসিন আনা সংক্রান্ত সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, সিএমএইচডি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভ্যাকসিন সংশ্লিষ্ট অন্য শাখাগুলিকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এখন চুক্তি অনুযায়ী ভ্যাকসিন আনার প্রক্রিয়াগুলির ব্যাপারে সরকার উদ্যোগী ভূমিকা অব্যাহত রাখছে। ভারত সরকারও চুক্তি মোতাবেক আমাদেরকে সময় মতো ভ্যাকসিন প্রেরণ করবে বলে অবগত করা হয়েছে। সুতরাং ভ্যাকসিন পাওয়া নিয়ে এই মুহূর্তে উদ্বিগ্ন হবার কারন নেই।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান বলেন, ভারত সরকার কেবল কমার্শিয়াল কর্মকান্ডের উপর ভ্যাকসিন প্রেরণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের সাথে হওয়া চুক্তির উপরে ভারতের নিষেধাজ্ঞা থাকবে না বলেই জানা গেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে ভ্যাকসিন হাতে পেতে হয়তো বড়জোর ফেব্রুয়ারি মাস লাগতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ মাহাবুবুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু এনডিসি, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালক সিদ্দিকা আক্তার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...