Logo
×
ব্রেকিং নিউজ :
দিনাজপুর, নাটোর ও কুমিল্লায় শীতবস্ত্র বিতরণ চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন ভাল হয়েছে : ইসি সচিব উল্লাপাড়ায় রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহ ও মাওলানা তর্কবাগীশ বিএনপির অভ্যাস হচ্ছে ‘নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা’ : তথ্যমন্ত্রী কোভিড টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করুন : প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে : ওবায়দুল কাদের দেশের সকল নাগরিককেই পেনশনের আওতায় আনার কথা ভাবছে সরকার : পরিকল্পনামন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি বিষয়ে মোমেন-কেরির ফোনালাপ দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু ১৭, সুুস্থ ৫০৯ জন জাতিসংঘের শান্তি প্রচেষ্টার প্রতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত
  • আপডেট টাইম : 07/01/2021 08:35 PM
  • 56 বার পঠিত

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, মাতৃ মৃত্যুর হার কমাতে মায়েদের হোম ডেলিভারিতে নিরুৎসাহিত করতে মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্যোগী হতে হবে।
আজ বৃহষ্পতিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ‘শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার কমানোর কৌশল নির্ধারণ’ সংক্রান্ত সভায় তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী দেশে মাতৃ মৃত্যুর হার নিয়ে গত ১০ বছরের পরিসংখ্যান দেখে দেশের মাতৃ মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে আরো জোরালো ভূমিকা রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি বলেন, ‘প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে দেশের আনাচে-কানাচে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে গেছে। এখন মায়েদের হোম ডেলিভারিতে নিরুৎসাহিত করতে মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্যোগী হতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যত্রতত্র ও অস্বাস্থ্যকর ক্লিনিকে মায়েদের ডেলিভারি বন্ধ করতে হবে। দেশের সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে উদ্ধুদ্ধ করতে হবে। যেসব ক্লিনিক স্বাস্থ্য সম্মত নয় সেগুলি প্রয়োজনে সিলগালা করে দিতে হবে। লোকবল আরো প্রয়োজন হলে নিয়োগ দিতে হবে। মিডওয়াইফ কর্মীদের কাজে লাগাতে হবে, তাঁদেরকে নিরাপদ ডেলিভারি করতে উৎসাহিত করতে হবে। যেখানে যে উদ্যোগ প্রয়োজন সেখানে সেভাবেই কাজ করতে হবে, তবুও মাতৃমৃত্যু হার ধীরে ধীরে ৫০-এর নিচে নামিয়ে আনতে হবে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিসংখ্যান তুলে ধরে সভায় জানান, ‘দেশে বর্তমানে প্রতি লাখ জীবিত জন্মে মাতৃমৃত্য ১৬৫ জন, যা ২০০৯ সালে ছিল ২৫৯ জন। গত ১০ বছরে মাতৃমৃত্যু হার কমেছে প্রতি লাখ জীবিত জন্মে প্রায় ৯৪ জন। যদিও গত ১০ বছরের পরিসংখ্যানে কিছুটা উন্নতি দেখা যাচ্ছে, কিন্তু মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি লাখ জীবিত জন্মে ৭০ জনের নিচে নিয়ে আসতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।’
সভায় স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলী নূর জানান, শহরাঞ্চলে পরিবার পরিকল্পনা সার্ভিস দেয়ার ব্যাপারটি অন্য মন্ত্রণালয়ের হাতে থাকায় কাজ করা কঠিন। এ বিষয়ে সচিব মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সচিবকে আশ^স্ত করেন।
সভায় নিপোর্ট-এর মহাপরিচালক মাতৃমৃত্যু হারের কারণগুলি তুলে ধরেন। অন্যদিকে, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজের ক্ষেত্রে জনবলের অভাবকে দায়ী করে দ্রুত লোকবল নিয়োগের উপর গুরুত্ব দেন।
এছাড়াও, সভায় মাতৃমৃত্যু হার কমিয়ে আনতে মায়েদের দ্রুত হাসপাতালে নিতে যানবাহন সমস্যা, লোকবল সমস্যা, দালালদের ক্লিনিকে নেয়ার প্রচেষ্টা, মায়েদের ডায়াবেটিসসহ নানা রোগব্যাধি সমস্যাসহ নানা রকম সমস্যার কথা তুলে ধরেন বক্তারা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু, এনডিসি, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালক সিদ্দিকা আক্তার, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন, জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) এর মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার সাহাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...