Logo
×
ব্রেকিং নিউজ :
কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে উন্নত দেশগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান মেট্রোরেল নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ৬১.৪৯ শতাংশ : ওবায়দুল কাদের ভন্ডদের পক্ষে বিবৃতিদাতারাও ভন্ডদের পর্যায়েই পড়ে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী খাদ্যে ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা সংক্রমণ কমেছে : বেড়েছে সুস্থতা উল্লাপাড়ায় ১৪ লাখ টাকা ছিনতাই,৩ ছিনতাইকারী গ্রেফতার শাহ মোঃ ছদর হোসেন পীরসাহেব গুরুতর অসুস্থ উল্লাপাড়ায় চাঞ্চল্যকর তানিয়া হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার কক্সবাজার সৈকতে ভেসে এসেছে মৃত তিমি যুক্তরাষ্ট্রের প্যারিস চুক্তিতে প্রত্যাবর্তন জলবায়ু কূটনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার করবে : প্রধানমন্ত্রী
  • আপডেট টাইম : 06/04/2021 09:49 PM
  • 32 বার পঠিত

 স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে (২৬ মার্চ) বায়তুল মোকাররমে নাশকতার ঘটনায় করা মামলায় হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৭ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্ড মন্ডল মামলার এজহার গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৭ মে দিন ধার্য করেন আদালত।
সোমবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উপ-দফতর সম্পাদক খন্দকার আরিফুজ্জামান বাদি হয়ে পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের ষড়যন্ত্র ও নির্দেশনায় অজ্ঞাতনামা দু’ থেকে তিন হাজার হেফাজত, জামায়াত, শিবির ও বিএনপি’র জঙ্গি কর্মীরা সারাদেশে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটতরাজ চালায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
গত ২৬ মার্চ জুমার নামাজ শেষে মসজিদের বাইরে উত্তর গেটে সিঁড়িতে কয়েক হাজার জামাত-শিবির-বিএনপির ও হেফাজতের উগ্র মৌলবাদীরা নাশকতামূলক কার্যক্রম শুরু করে।
আসামিরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর কর্মসূচি বানচাল করতে ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক তান্ডব চালিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টির পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করে।
এ সময় তারা মিছিল থেকে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী নানা স্লোগান দিতে থাকে। হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের প্রত্যক্ষ নির্দেশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দা, ছোরা, কুড়াল, কিরিজ, হাতুড়ি, তলোয়ার, বাঁশ, গজারি, সাবল, পাইপ ও রিভলবারসহ অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত হয়ে অতর্কিতভাবে সাধারণ মুসল্লিদের উপর হামলা করে।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিরা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের টাইলস ভেঙে ফেলে, বিভিন্ন হাদিস, কোরআন শরিফসহ ধর্মীয় পুস্তকে অগ্নিসংযোগ করে ইসলামের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করে।
এছাড়া মামুনুল হকসহ অন্যনা আসামিদের পূর্ব পরিকল্পনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাংচুর এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ অফিস ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করা হয়।
মামলার অপর আসামিরা হলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা লোকমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব নাসির উদ্দিন মনির, নায়েবে আমির মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাখজান মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া নায়েবে আমির মাজেদুর রহমান, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়্যুবী, সহকারি মহাসচিব মাওলানা জসিম উদ্দিন, টঙ্গীর সহ-সাংগঠনিক মাওলানা মাসুদুল করিম, অর্থ সম্পাদক মুফতি মনির হোসাইন কাশেমী, প্রচার সম্পাদক মাওলানা যাকারিয়া নোমান ফয়েজী, মাওলানা ফয়সাল আহমেদ, সহকারি দাওয়া সম্পাদক মাওলানা মুশতাকুন্নবী, ছাত্র ও যুব সম্পাদক মাওলানা হাফেজ মো. জোবায়ের ও দফতর সম্পাদক মাওলানা হাফেজ মো. তৈয়ব।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...