×
ব্রেকিং নিউজ :
রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের স্মার্ট কার্ড প্রদানের সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় স্থায়ী কমিটি এভিয়েশন শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতা করতে চায় যুক্তরাজ্য চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুফল দিতে সরকার নতুন প্রযুক্তি নিয়ে আসছে : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চীনের প্রাদেশিক কংগ্রেসের ভাইস চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ নির্মাণাধীন ভবনে লার্ভা পেলে নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হবে : মেয়র তাপস বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে মরিশাসের প্রতি আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে থাইল্যান্ডে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা কক্সবাজারে ভোটার তালিকায় থাকা রোহিঙ্গাদের তালিকা চেয়ে হাইকোর্ট আদেশ মন্ত্রী-এমপি’র স্বজনরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করলে ব্যবস্থা: ওবায়দুল কাদের
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৯-১৯
  • ৪৮৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা বলার অভিযোগ করেছে ফ্রান্স।ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভ লু দ্রিয়া শনিবার অভিযোগ করে বলেছেন, পারমাণবিক সাবমেরিন বিক্রির চুক্তিকে কেন্দ্র করে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র মিথ্যে বলে সংকট বাড়িয়ে তুলছে।
এই চুক্তির প্রতিবাদে স্থানীয় সময় শুক্রবার দেশ দুটিতে নিযুক্ত নিজেদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠিয়েছিল ফ্রান্স। এরপর এমন অভিযোগ উঠল।
টেলিভিশন চ্যানেল ফ্রান্স-২-এর সঙ্গে এক আলাপচারিতায় ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই নিরাপত্তা চুক্তির মাধ্যমে দেশ দুটি ফ্রান্সের সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ ও অপমানজনক আচরণ করেছে।
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে চুক্তি হয়। এইউকেইউএস নামের এই চুক্তির অধীনে অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি সরবরাহ করবে ওই দুই দেশ।
কিন্তু এর আগে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ফ্রান্সের সাবমেরিন সংশ্লিষ্ট চুক্তি হয়েছিল। যার আর্থিক মূল্য ৫০ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (৩৬.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ৩১ বিলিয়ন ইউরো) ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার চুক্তি হওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে ফ্রান্স। এছাড়া দুই দেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার নতুন এই চুক্তির মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ফ্রান্সকে বিষয়টি জানানো হয়।
এ প্রেক্ষাপটে জ্যঁ-ইভ লু দ্রিয়া বলেন, নতুন এই চুক্তি মিত্রদেশগুলোর সম্পর্কের মধ্যে ‘মারাত্মক সংকট’ সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম আমরা আমাদের রাষ্ট্রদূতদের ডেকে আনলাম। এটি একটি গুরুতর রাজনৈতিক পদক্ষেপ।’
উল্লেখ্য, ফ্রান্সের নৌযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নেভাল গ্রুপের কাছ থেকে নতুন সাবমেরিন তৈরি করে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া । দেশটি সিদ্ধান্তটি নিয়েছিল ২০১৬ সালে।
গত জুনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের ফ্রান্স সফরকালে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার কথা বলেছিলেন।
এমনকি দুই সপ্তাহ আগেও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, তাঁরা ফ্রান্সের কাছ থেকেই এই সাবমেরিন তৈরি করে নেবেন। কিন্তু দুই সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলে ফেলে অষ্ট্রেলিয়া।
এদিকে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিটার ডাটন ফ্রান্সের বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ অস্বীকার করে ক্যানবেরা যা করেছে তা খোলামেলা  ও সততার সঙ্গে করেছে বলে দাবি করেছেন।
এছাড়া রোববার দেশটির অর্থমন্ত্রী সিমন বার্মিংহাম বলেছেন, চুক্তিটি প্রকাশের আগে যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব এ বিষয়ে ফরাসি সরকারকে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat