Logo
×
ব্রেকিং নিউজ :
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে দলীয় নেতা কর্মীদের প্রতি আহবান প্রধানমন্ত্রীর শিগগিরই ডাকসেবা কাঙ্খিত মানে উন্নীত হবে : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সড়ক নিরাপত্তা কার্যক্রম টেকসই করতে হবে : রাষ্ট্রপতি বেপরোয়া গতিতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে মোটরযান চালনা সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ : প্রধানমন্ত্রী শাওমি বাংলাদেশ ব্র্যান্ডের উদ্বোধন করলেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী সেন্টারের উদ্বোধন হলো বন্ধ মিল চালু করতে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দাখিলের নির্দেশ শিল্প সচিবের সাম্প্রদায়িক সংঘাতের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন টেকসই উত্তরণ ত্বরান্বিত করতে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে : রাবাব ফাতিমা বাল্য বিয়ে রোধে ইউনিয়ন পর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচারণার সুপারিশ স্থায়ী কমিটির সভায়
  • আপডেট টাইম : 09/10/2021 09:37 PM
  • 33 বার পঠিত
ফাইল ছবি

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ২০২১ সাল আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ বছর। এবছর আমাদের সর্বক্ষেত্রে অনেক অর্জন হয়েছে। আর এ অর্জনের প্রধান কারিগর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর সততা, সাহসিকতা ও দুরদর্শিতা এই তিনের সমন্বয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে।
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার আব্দুল ওয়াসেক মিলনায়তনে আইসিটি উদ্যোক্তাদের সাথে মতবিনিময় এবং ইনফো-সরকার (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের কানেক্টিভিটি’র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারাদেশের রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ কার্লভার্ট, স্কুল-কলেজের উন্নয়ন হয়েছে। আজ গ্রাম-শহরের উন্নয়নের পার্থক্য কমে গেছে। তাই জনগণের জীবনমানে ডিজিটাল জীবনযাপনের দিকে ঝুঁকছে। তাই তারা মোবাইল, ইন্টারনেট, ফ্রিল্যান্সিং, আউট সোসিং আয়ের দিকে ঝুঁকছে। জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বাংলাদেশের ১৭ কোটি সিম বিক্রি হয়েছে। ১০ কোটি ফোন ব্যবহৃত হচ্ছে। এর মধ্যে ৬ কোটি স্মার্টফোন ব্যবহার হচ্ছে। ৮ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই হচ্ছে শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ।
দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তাদের প্রশ্নের জবাবে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ফ্রিল্যান্সার নিবন্ধন করে ৪ শতাংশ ক্যাশব্যাকসহ লেনদেন করা যায়। এছাড়া ফ্রিল্যান্সিং নিবন্ধন করে কার্ডের মাধ্যমে ব্যাংক লোন করাও সহজ হয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারী শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা, ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রথম ঘোষণা দিয়েছিলেন। সে সময়ে বিএনপি, জাতীয়পার্টির নেতারা হাসাহাসি করেছিলেন। আজ শেখ হাসিনা সরকারের অভুতপূর্ব উন্নয়ন দেখে সারাবিশ্ব প্রসংশা করছেন। আর সমালোচনাকারীরা আজ মুখে কুলুপ এটে বসে আছেন। এটা প্রধানমন্ত্রীর অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে সম্ভব হয়েছে।
তনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার ২০০৯ সালে প্রবৃদ্ধি ছিল সাড়ে ৪’শ ডলার। আর ১১ বছর পর প্রবৃদ্ধি এসে দাড়িয়েছে ২ হাজার ২২৭ ডলারে। এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর মতো দেশের প্রতিটি নাগরিককে পরিশ্রম করতে হবে। সবার ঐক্যান্তিক পরিশ্রম দেশকে আরো উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ অনুষ্ঠানে তথ্যচিত্র প্রদর্শন করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদুল ইসলাম।
নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম সালাউদ্দীন মনজুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির, নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন ও দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...