Logo
×
ব্রেকিং নিউজ :
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে দলীয় নেতা কর্মীদের প্রতি আহবান প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রদায়িক সংঘাতের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন টেকসই উত্তরণ ত্বরান্বিত করতে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে : রাবাব ফাতিমা বাল্য বিয়ে রোধে ইউনিয়ন পর্যায়ে সচেতনতামূলক প্রচারণার সুপারিশ স্থায়ী কমিটির সভায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সহায়তা দেবে সুইডেন : রাষ্ট্রদূত লন্ডনে অসুস্থ গাফফার চৌধুরীকে ফোন করে খোঁজ-খবর নিলেন রাষ্ট্রপতি বিএনপি নেতারা নিজেদের অক্ষমতা আড়াল করতে পুরনো রেকর্ড বাজিয়ে যাচ্ছে : ওবায়দুল কাদের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হবে সন্ত্রাসমুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক : সিইসি হিন্দুদের ওপর হামলা দেশের চেতনার বেদীমূলে হামলা : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা দিতে বারডেম হাসপাতালের সাথে সমঝোতা নবায়ন
  • আপডেট টাইম : 13/10/2021 08:48 PM
  • 41 বার পঠিত

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান বলেছেন, বাংলাদেশ এখন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি।
তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাসের পাশাপাশি উন্নয়নের সুফল সমানভাবে উপভোগ করছে। প্রতিমন্ত্রী আজ বুধবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে তার অফিস কক্ষে শারদীয়া দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
ডা. মুরাদ হাসান বলেন,‘ আমি বিশ্বাস করি না, এদেশে শারদীয় দূর্গোৎসব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একার উৎসব। এটা জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবার উৎসব।’ এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সবার উন্নয়নে কাজ করেছেন। তাঁর (শেখ হাসিনা) ওপর সকলেরই অগাধ আস্থা রয়েছে বিধায় করোনাকালীন সময়েও দেশে ৩২ হাজার ১শ’ ৮০টি পূজা মন্ডপে উৎসবের আমেজে শারদীয় দূর্গোৎসব উদযাপিত হচ্ছে।
শৈশবের স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ছাত্র জীবনে আমরাও শারদীয় দূর্গোৎসবে সনাতন ধর্মাম্বলী বন্ধুদের বাড়িতে যেতাম এবং নানা ধরনের খাবার খেতাম। আমাদের মা-বাবা তো কখনই এব্যাপারে কোনো কথা বলেননি বরং আমাদের উৎসবে সে-বন্ধুদের দাওয়াত করার জন্য নির্দেশ দিতেন।’
তিনি বলেন, ‘সকল ধর্মের মানুষ সব-ধর্মের প্রতি তাদের শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করছে, এটা আমাদের পূর্ব পুরুষদের শিক্ষা। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে তার সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্বে এখন পুজা হচ্ছে, মসজিদে আজান হচ্ছে- নামাজ হচ্ছে।’
ডা. মুরাদ এ সময় উল্লেখ করেন,বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় এসেই দেশে ধর্মী বিভেদ সৃষ্টি-পূজা উৎসবে বিশৃঙ্খলা করার সংস্কৃতি চালু করেছিল। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা হয় শরৎকালে। তাই এর নাম শারদীয় দূর্গোৎসব।
প্রধানমন্ত্রী হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের সচিবের হাতে দূর্গাপূজা উপলক্ষে ৩ কোটি টাকার আর্থিক অনুদান দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন,  এছাড়াও  প্রতিটি পুজামন্ডপে পাঁচ শ’ কেজি করে চালও দেয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী সকলকে একে অপরের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহবান জানানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারদীয় দূর্গোৎসব উদযাপনের অনুরোধ জানান।
এ ছাড়াও তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর সাথে বুধবার বিকেলে তার অফিস কক্ষে প্রেস কাউন্সিলের নতুন চেয়ারম্যান ও সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. নিজামুল হক সৌজন্য সাক্ষাত করেন।
পরে, প্রতিমন্ত্রী ঠাটারী বাজার শিব মন্দির পূজামন্ডপ পরিদর্শন শেষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...