×
ব্রেকিং নিউজ :
ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তীর দ্বিতীয় দিনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কুসিক নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ইমরান “দুর্জয় প্রাণের আনন্দে” প্রতিপাদ্যের সাথে নারী ও কিশোরীদের ক্ষমতায়ন উদযাপিত হচ্ছে “ওয়াও ভার্চ্যুয়াল বাংলাদেশ ২০২২” উল্লাপাড়ায় সড়ক দূর্ঘটমায় নিহত ৫ আহত ৬ বিইউপি’র শিক্ষার্থীদের আইএসপিআর পরিদর্শন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস প্রশংসনীয় অবদান রাখছে : স্পিকার বৈশ্বিক আর্থিক প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর ন্যূনতম পর্যায়ে রাখতে সরকার চেষ্টা করছে : অর্থমন্ত্রী সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমেই বাংলাদেশকে থ্যালাসেমিয়া মুক্ত করা সম্ভব : টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী পর্যটন প্রসারে দেশের ইতিবাচক ইমেজ বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হবে : মাহবুব আলী বাংলাদেশ-পর্তুগাল ইন্টার-পার্লামেন্ট ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব
  • আপডেট টাইম : 11/05/2022 07:44 PM
  • 52 বার পঠিত

করোনার ভূয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজন নিজেদের নির্দোষ দাবী করে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেছেন।
বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেন। এরপর আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিউপস্থাপনের জন্য ২৫ মে দিন ধার্য করেন। যুক্তিউপস্থাপন শেষে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য হবে।
এরআগে বুধবার (২০ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে সাক্ষ্য দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভুইয়া। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন। আদালত আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য এদিন ধার্য করেন। মামলাটিতে ৪০ জনের মধ্যে ২৬ জন বিভিন্ন সময় সাক্ষ্য দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি হেলথকেয়ার ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয়। এর বেশিরভাগই ভূয়া বলে ধরা পড়ে। এ অভিযোগে ২০২০ সালের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয় এবং দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
২০২০ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবরিনা ও আরিফসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। চার্জশিটভূক্ত অন্য আসামিরা হলেন, আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। চার্জশিটে সাবরিনা ও আরিফকে প্রতারণার মূলহোতা বলে উল্লেখ করা হয়। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছেন।
একই বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...