×
ব্রেকিং নিউজ :
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ঢাবি আ্যলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের শ্রদ্ধা দেশে করোনা ভাইরাস বৃদ্ধি পাওয়ায় উল্লাপাড়া জনতার হাট পরিদর্শন কালে সার্জিক্যাল মাক্স বিতরণ সুনামগঞ্জের বাউল শিল্পীদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর কাছে বুয়েট ছাত্রলীগের নেতা আরিফ রায়হান দীপ হত্যার বিচার চাইলেন দীপের বাবা লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসের চ্যান্সারি ভবন উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষিকে আরও সমৃদ্ধ করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর আদর্শে শিশুদের গড়তে অভিভাবকদের প্রতি ঢাবি উপাচার্যের আহ্বান গ্রিসে বিশেষ প্রদর্শনীতে ‘হাসিনা: এ ডটারস টেল’ করোনায় আরও ৬ জনের মৃত্যু দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের মহাপরিকল্পনা রয়েছে : পরিকল্পনামন্ত্রী
  • আপডেট টাইম : 06/06/2022 08:01 PM
  • 54 বার পঠিত

১৭ বছর বয়সে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন ‘সেক্রেড গেমস’ খ্যাত অভিনেত্রী কুবরা সাইত। দুই দশক বাদে তা নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি। ওয়েব সিরিজে ট্রান্স মহিলা কুকু-এর চরিত্রে অভিনেয় করেছেন তিনি।
‘ওপেন বুক: নট কোয়াইট আ মেময়ার’ নামে বইয়ে নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন তিনি। ওই বইতেই তিনি লিখেছেন, মাত্র ১৭ বছর বয়সে কী করে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছেন কুবরা।
প্রায় দুই দশক পর যৌন হেনস্থার মতো দুঃসহ অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে কুবরা লিখেছেন, মায়ের ‘বিপদের বন্ধু’ সেজে পরিবারের ঘনিষ্ঠ উঠেছিলেন এক ব্যক্তি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে, তার হাতে একাধিকবার যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছেন। প্রায় আড়াই বছর ধরে এই অভিজ্ঞতা সইতে হয়েছিল তাকে। মুখ ফুটে মাকে বলার মতো সাহস হয়নি তার। কারণ অভিনেত্রীর পরিবারকে শেষ করে ফেলার হুমকিও নাকি দিতেন ওই ব্যক্তি।
এই বিষয় বিস্তারিতভাবে নিজের বইয়ে লিখছেন, সেই সময় প্রায়শই বেঙ্গালুরুর একটি রেস্তোরাঁয় পরিবারের সঙ্গে যেতেন তিনি। সেখানকার মালিকের সঙ্গে তাদের পারিবারিক ঘনিষ্ঠতা বেড়ে ওঠে। ওই ব্যক্তি অভিনেত্রীর মাকে আর্থিকভাবে সাহায্য করেছিলেন। সাহায্যের পরপরই ওই ব্যক্তি তার সঙ্গে অভব্য আচরণ শুরু করে। ওই ব্যক্তি বিবাহিত ছিলেন। এক সন্তানও ছিল তার। আড়াই বছরের মধ্যেই আরও এক সন্তান হয়।
কুবরার দাবি, প্রথমবার গাড়ির পিছনের সিটে বসে এই ব্যবহারের আঁচ পান তিনি। সেই সময় ভয়ে পেয়ে গিয়েছিলেন কিশোরী কুবরা। এরপর তাদের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল ওই ব্যক্তির। বিভিন্ন সময় তার গালে চুম্বন করতেন। কুবরার মায়ের কাছে বিষয়টা স্বাভাবিক ছিল। তিনি ভাবতেন পুরোটাই স্নেহের বশে করছে ওই ব্যক্তি।
বইয়ের এক প্রচ্ছদে কুবরা জানিয়েছেন, তাকে সঙ্গে করে একদিন হোটেলে নিয়ে যায় ওই ব্যক্তি। এরপর ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখে পড়েন তিনি। সেই সময় ভয়ে পেয়ে যান তিনি। চিৎকার করে পালাতে চেয়েও পারেননি। কিশোরী কুবরা বুঝে উঠতে পারছিলেন না কী করবেন!
অভিনেত্রী বইতে আরও দাবি করেছেন, তার সঙ্গে অশান্তির জন্য পারিবারিক সাহায্য করাও বন্ধ করে দেন ওই ব্যক্তি। এমনকি বিভিন্ন সময় তার পরিবারের ক্ষতি করার হুমকিও দিতেন। যদিও এ ক্ষেত্রে মায়ের অগাধ বকুনি খেতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। যদিও সবকিছু সহ্য করে সেই সময় চুপ ছিলেন তিনি। এতদিন বাদে নিজের বইতে একথা ফাঁস করলেন অভিনেত্রী। সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...