×
ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয় : হুইপ বকুল শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিকল্প পথে সৌদি থেকে চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন তেল জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মন্ত্রীর শনিবার বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের বেকারত্ব মোকাবিলায় নতুন শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা : শিল্প মন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের বৈঠক
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৭-১৫
  • ৫০০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সুনামগঞ্জে নামছে বন্যার পানি

নিউজ ডেস্ক:- জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টি কম হওয়ায় পাহাড়ি ঢল ও কম নেমেছে ফলে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে।
কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে সবচেয়ে বেশি বিপন্ন ছিলো বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের মানুষ। এ উপজেলায় এক ফুটেরও বেশি পানি কমেছে।
উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের শ্রীধরপুর-সোনাপুর গ্রামের কৃপেশ দাস ও তার স্ত্রী অর্চনা রানী দাস বললেন, হাঁটু সমান পানি ছিল ঘরে। রোববার দুপুরের দিকে পানি নেমেছে, কিন্তু ঘরে কাদা, চুলোয় পানি, আজকে টিনের চুলোয় রান্না করতে হবে। পায়খানা বানের তোড়ে ভেঙে গেছে। বাঁশ দিয়ে একটি ঝুলন্ত পায়খানা (খোলা পায়খানা) বানিয়েছি। ঘরে হাঁটু সমান পানি যখন ছিল তখন ৩ মেয়ে, ১ ছেলে নিয়ে বাড়িতে ছিলাম। এখনো দুর্ভোগ যতই হোক, ঘরেই থাকবো।
এ উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের পা-ারগাঁও গ্রামের সুজিত চন্দ্র দাস ও শুক্লা রানী দাসের ঘর থেকেও রোববার পানি নেমেছে। তবে পায়খানার উপরে এখনো হাঁটু সমান পানি। তারা যেভাবে পারছেন সেভাবেই কোনভাবে পায়খানা-প্রশ্রাব সারছেন।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল হক বলেন, ভিটার পানি নামছে অনেকের, কিন্তু দুর্ভোগ বাড়ছে। রান্না-বান্না করা এবং পায়খানা-প্রশ্রাব করারও সমস্যা রয়েছে।
দোয়ারা, জামালগঞ্জ, তাহিরপুরেও একই ধরনের সমস্যা। অন্যদিকে, সুনামগঞ্জ-হালুয়ারঘাট সড়কের একাংশ ভেঙে যাওয়ায় এবং এ সড়ক উপচে পানি সুনামগঞ্জ শহরের পূর্বাঞ্চলের হাছননগর, ওয়েজখালী, কালীপুর, পূর্ব নতুনপাড়া, শান্তিবাগ এবং সদর উপজেলার কোরবাননগর ও মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের
নি¤œাঞ্চলে প্রবেশ করছে।
জেলার ছাতক, দিরাই, শাল্লা, জামালগঞ্জ ও ধর্মপাশা উপজেলার নি¤œাঞ্চলে কিছু এলাকায় পোনি নেমে আসছে।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সমীর বিশ্বাস জানালেন, বিশ্বম্ভরপুরের ৬টি আশ্রয় কেন্দ্রের মধ্যে ৫ টি থেকে বন্যর্তরা বাড়ি ফিরে গেছেন। রোববার দুপুর পর্যন্ত এ উপজেলায় এক ফুটের মতো পানি কমেছে। দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ফরিদুল হক জানালেন, নতুন কোন এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। পানিবন্দির সংখ্যা এক লাখ ৪ হাজারেই আছে। দুর্গতদের জন্য বরাদ্দকৃত ৫০০ টন চালের ৪১০ টন ইতিমধ্যে বন্টন হয়েছে। শুকনো খাবার ৫ হাজার কার্টুন বন্টন করা হয়েছে। রোববার আরও ৪ হাজার কার্টুন এসেছে। নগদ টাকা আগে এসেছিল ৩ লাখ টাকা, বন্টন হয়েছে আড়াই লাখ। আরও ১০ লাখ টাকা এসেছে, আগের ৫০ হাজার টাকা এবং নতুন আসা ১০ লাখসহ সাড়ে ১০ লাখ টাকা মওজুদ আছে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক ভুইয়া জানালেন, সুরমা নদীর পানি শনিবার থেকে রোববার বিকাল ৩ টা পর্যন্ত ১১ সেন্টিমিটার কমেছে। বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় নদ নদীর পানি কমতে শুরু করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat