×
ব্রেকিং নিউজ :
২০২৬ সালে হজযাত্রীরা ৩ কোটির বেশি টাকা ফেরত পাবেন : ধর্ম উপদেষ্টা চট্টগ্রামের-১৬ আসনে জাতীয় সংসদ ও গণভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন সাতক্ষীরায় নির্বাচনের লক্ষে প্রশাসনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন : জেলা প্রশাসক সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান মনিরুল হক চৌধুরীর হবিগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ভোট দেবেন রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্মাণে গণভোটে সক্রিয় অংশগ্রহণে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার গুলশান মডেল হাই স্কুল এন্ড কলেজে ভোট দেবেন তারেক রহমান ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ভূমি ব্যবস্থাপনায় সরকারের ১০টি মাইলফলক অর্জন: এক ছাতার নিচে সব সেবা
  • প্রকাশিত : ২০২২-১০-২০
  • ৪৩৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আজ বলেছেন, মিয়ানমারের সামরিক সরকার জানিয়েছে যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করার জন্য তারা ঢাকা ও নেপিদোর মধ্যকার স্বাক্ষরিত পূর্ববর্তী সকল চুক্তি মেনে চলবে। ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের সাথে তার আজকের বৈঠকের ব্যাপারে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা ভাল খবর।’ 
২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ও মিয়ানমার একটি প্রত্যাবাসন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে একজন রোহিঙ্গাও তাদের নিজ ভূমি রাখাইন রাজ্যে ফিরে যায়নি। মোমেন বলেন, মিয়ানমার সামরিক কর্তৃপক্ষ বেইজিংকে জানিয়েছে যে সত্যতা যাচাই করার পর, তারা বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে। যদিও বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া এই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন কবে শুরু হবে, সে ব্যাপারে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোন দিনক্ষণ জানানো হয়নি। মোমেন বলেন, চীন আশ্বস্ত করেছে যে বেইজিং রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে প্রচেষ্টা অব্যহত রাখবে।
মোমেন বলেন, ‘তারা (চীন) পরিস্থিতি সহজ করতে ভূমিকা রাখছে, কিন্তু তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী নয়। আমরা এই সংকট নিরসনে তাদের বারংবার অনুরোধ করে যাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ঢাকা এই সংকট সমাধানে ভূমিকা রাখতে চীনের ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে। চীন একটি ত্রিপাক্ষিক পদ্ধতির আওতায় রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধানের উপায় বের করতে গত চার বছর ধরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।
রাষ্ট্রীয় অতিথিশালা পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের ঘন্টাব্যাপী দীর্ঘ আলোচনা হয়। আজকের আলোচনা শুধুমাত্র রোহিঙ্গা ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ ছিল। এর আগে, রাষ্ট্রদূত জিমিং জানিয়েছিলেন যে মিয়ানমার পক্ষের সাথে তাদের আলাপের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবেন তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঢাকা রোহিঙ্গা ইস্যুর দ্রুত ও টেকসই সমাধান চায়। তিনি বলেন, ‘আমি (রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে) সব সময়ই আশাবাদী।’ মোমেন বলেন, ‘জিরো পয়েন্টে’ বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে ভূমিকা রাখার আহ্বানটি বেইজিংকে পৌঁছে দিতে তিনি চীনের রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেছেন।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে কক্সবাজার জেলায় আশ্রয় দিয়ে আসছে এবং এদের অধিকাংশই মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর দমন অভিযানের পর, প্রাণ বাঁচাতে এদেশে পালিয়ে এসেছে। জাতিসংঘ মিয়ানমারের ওই দমনঅভিযানকে ‘জাতিগত নিধনের প্রকৃষ্ট উদাহরণ’ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলো ‘গণহত্যা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। যদিও মিয়ানমার এখন পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাকেও ফিরিয়ে নেয়নি। রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ব্যাপারে রোহিঙ্গারা আস্থা রাখতে না পারায়, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত এইসব রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের দুটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat