×
ব্রেকিং নিউজ :
তারেক রহমান কোনো একক দলের নন, বাংলাদেশের নেতা : আবদুস সালাম নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সব ধরনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে : জামায়াত আমির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে আচরণবিধি প্রতিপালনের নির্দেশ ইসির বিএনপি কাজে বিশ্বাস করে, সমালোচনায় নয়: মির্জা ফখরুল তারেক রহমানকে ‘সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী’ আখ্যা দিয়েছে দ্য ডিপ্লোম্যাট উইন্ডসর ছাড়লেন ব্রিটেনের সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রু : বিবিসি নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করলো মার্কিন সামরিক বাহিনী গাদ্দাফি পুত্র সাইফ আল ইসলাম নিহত
  • প্রকাশিত : ২০২৩-১২-১২
  • ৪৫৬৭৩২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চেষ্টা করছেন মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার শূন্যের কোটা নামিয়ে আনতে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নানামুখী উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে দেশে শিশু ও মাতৃ মৃত্যু হার অনেক কমেছে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, তাঁর উদ্যোগের ফলে মায়েদের শতকরা মৃত্যুহার ৭৫ ভাগ এবং শিশুদের শতকরা মৃত্যুহার ৭১ ভাগ কমেছে।
আজ মঙ্গলবার সারা দেশের মত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্øাস ক্যাপসুল প্রচারাভিযান ও শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো কর্মসূচি-২০২৩ এর শুভ উদ্বোধন শেষে উপাচার্য এসব কথা বলেন। 
বিশ্ববিদ্যালয়ের বহির্বিভাগ-১ এর তৃতীয় তলায় ইপিআই সেন্টারে এ কর্মসূচির আয়োজন করে শিশু বিভাগ। এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, যে সকল শিশু ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খায়, তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। এতে অনেক শিশু সুস্থ থাকে। 
তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর ফলে আরেকটি উপকার হয়েছে। আগে বছরে রাতকানা রোগীর সংখ্যা ছিল ৩০ হাজার। সেটি এখন ১০ হাজারে নেমে এসেছে।
এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মানিক কুমার তালুকদার, টেকোনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. দেবতোষ পাল, পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রি. জে. ডা. রেজাউর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক (সার্জিক্যাল অনকোলজি) ডা. মো. রাসেল, শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. মোজ্জামেল হক, আবাসিক চিকিৎসক (আরপি) সহকারী অধ্যাপক ডা. তৌফিক আহমেদ, অতিরিক্ত পরিচালক ডা. পবিত্র কুমার দেবনাথ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আজ ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তাদের মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুকে দেয়া হয় নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল। আর ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে দেয়া হয় লাল রঙের ক্যাপসুল। তবে অসুস্থ শিশুদের এই ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat