×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৫-১১
  • ২৩৪৩৫১২৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
হরিতকী একটি ভেষজ উদ্ভিদ। ভারতবর্ষে বিভিন্ন স্থানে এটি পাওয়া যায়। আমাদের দেশে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন এলাকার বনাঞ্চলে এ গাছ বেশি পাওয়া যায়। এর ফুল ফোটে ডালের শেষ প্রান্তে। রং হালকা হলুদাভ সাদা। ফল লম্বাটে, মোচাকৃতি ও লম্বায় প্রায় দেড় ইঞ্চি। কাচা ফল সবুজ, পরিপক্ব ফল হালকা হলুদ। শুকালে কালচে খয়েরি রং হয়। ফলের ত্বক ভীষণ শক্ত। ফলের বাইরের আবরণ কুঁচকানো। পাতা লম্বা-চ্যাপ্টা, কিনার চোখা, লম্বায় পাঁচ-ছয় ইঞ্চি। ফলের ভেতর একটিমাত্র ভীষণ শক্ত বীজ থাকে। হরিতকী স্বাদে খুব তিতা। এ গাছের ফল বীজ ও পাতা সবই মানুষের উপকারে আসে। হরিতকী ফল বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় এবং রন্ধনশিল্পে বহুল ব্যবহৃত ভেষজ ফল। 
জনশ্রুতি রয়েছে, প্রতি সকালে এককাপ পরিমাণ হরিতকী ভেজানো পানি ব্যবহার করলে রোগ থেকে দূরে থাকা যায়। আমলকী ও বহেড়ার সঙ্গে হরিতকী ভেজানো পানি শত রোগের আশ্চর্য মহৌষধ। পাইলস, হাঁপানি, চর্ম রোগ, ক্ষত রোগ, কনজাংটিভাইটিস রোগে হরিতকী ব্যবহূত হয় বিশেষভাবে পরিশোধনের মাধ্যমে। এটি ট্যানিন, অ্যামাইনো এসিড, ফ্রুকটোজ, সাকসিনিক এসিড এবং বিটা সাইটোস্টেরল সমৃদ্ধ। বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসজনিত রোগের ক্ষেত্রে হরিতকী বিশেষ উপকারী। 
এবার জেনে নিন প্রতিদিন হরিতকী খেলে আরও যেসব ক্ষেত্রে উপকার পাওয়া যায়— 
১. হরিতকী চূর্ণ ঘিয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে পিত্তশূল দূর হয়।
২. হরিতকী ভেজানো পানি রক্তচাপ এবং অন্ত্রের খিঁচুনি হ্রাস করে। হৃদপিন্ড ও অন্ত্রের অনিয়ম দূর করে। 
৩. এটি রেচক, কষাকারক, পিচ্ছিলকারক, পরজীবীনাশক, পরিবর্তনসাধক, অন্ত্রের খিঁচুনি রোধক এবং স্নায়বিক শক্তিবর্ধক। যে কারণে এটি নতুন ও পুরাতন কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়বিক দুর্বলতা, অবসাদ এবং অধিক ওজনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
৪. হরিতকীর গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে। 
৫. যারা চুলকানির (অ্যালার্জি) সমস্যায় কষ্ট পাচ্ছেন, তারা প্রতিদিন হরিতকী ফুটিয়ে সেই পানি খেলে আরাম পাবেন।
৬. হরিতকীতে অ্যানথ্রাইকুইনোন থাকার কারণে রেচক বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ এবং এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। 
৭. হরিতকী গুঁড়া নারিকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে আঙ্গুলের ডগায় নিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসেজ করলে চুল ভালো থাকে। 
৮. গলাব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরিতকী পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গার্গল করলে ব্যথা কমে। 
৯. দাঁতে ব্যথা হলে হরিতকী গুঁড়া লাগালে ব্যথা দূর হয়।
১০. রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সামান্য বিট লবণ, ২ গ্রাম লবঙ্গ বা দারুচিনির সঙ্গে হরিতকীর গুঁড়া মিশিয়ে খেলে পেট পরিষ্কার হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat