×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে
  • প্রকাশিত : ২০২৫-১২-১১
  • ৫৪৫২০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
অনৈতিকভাবে রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় অবৈধভাবে একটি ফ্ল্যাট গ্রহণের অভিযোগে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)। ইস্টার্ন হাউজিংকে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে এ ফ্ল্যাট গ্রহণের মামলায় চার্জশিট দিয়েছে কমিশন।

আজ বৃহস্পতিবার দুদক প্রধান কার্যালয়ে এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

এ মামলায় টিউলিপের সাথে থাকা আরও দুই আসামি ছিলেন-রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান ও সরদার মোশাররফ হোসেন।

দুদক জানায়, চলতি বছরের জুলাই মাসে মামলা তদন্তের একেবারে শেষ পর্যায়ে মামলার আসামি শাহ খসরুজ্জামান হাইকোর্টে একটি রিট করেন। তার রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট খসরুজ্জামানের তদন্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করে। পরে চেম্বার আদালতে গেলেও দুদক ‘নো অর্ডার’ আদেশ পায়।

বিকল্প কোনো উপায় না পেয়ে দীর্ঘ ৫ মাস পর টিউলিপের সঙ্গে থাকা আসামি খসরুজ্জামানকে বাদ দিয়ে চার্জশিট দাখিল করেছে দুদক।

দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে, ইষ্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের একটি পত্রে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক বিনা মূল্যে ফ্ল্যাট গ্রহণ করেছেন বলে উল্লেখ রয়েছে। রাজউকে প্রেরিত ফ্ল্যাট মালিকদের তালিকার নোটশীটেও তার নাম অন্তর্ভুক্ত পাওয়া যায়। সিটি কর্পোরেশনের নথিতে দেখা যায়, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন ২০০১ সাল থেকেই ফ্ল্যাটটি তার দখলে আছে বলে ইষ্টার্ন হাউজিং তথ্য প্রদান করেছিল। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০২ সালে রেজিস্ট্রি হওয়া ফ্ল্যাটটি তিনি আয়কর নথিতে বহু বছর গোপন রেখে ডেভেলপারকে অগ্রিম প্রদানের মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেছেন। এছাড়া, ছোট বোনের কাছে হেবা করার যে দলিল তিনি দেখান, তা জাল প্রমাণিত হয়েছে। 

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নথিতেও ফ্ল্যাটটির কর পরিশোধ ও নাম জারির রেকর্ড এখনো তার নামেই বহাল রয়েছে, যা মালিকানা গোপনের প্রচেষ্টাকে আরও স্পষ্ট করে।

তদন্তে প্রাপ্ত এসব প্রমাণের ভিত্তিতে দুদক দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক)/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারায় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে দুদক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat