×
ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০৪-১৪
  • ৬৭৬৬৯৬০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢোল-তবলার বাদ্য আর তিনটি প্রধান মোটিফের বর্ণিল আয়োজনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সম্পন্ন হয়েছে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। শোভাযাত্রার এবারের প্রতিপাদ্য ‘এসো প্রাণের উৎসবে, জাগো নব আনন্দে’।

আজ সকাল সাড়ে ১০টায় বেলুন উড়িয়ে নববর্ষের শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান। এরপর বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে চবির স্মরণ চত্বর (জিরো পয়েন্ট) থেকে শুরু হয়ে জারুলতলায় গিয়ে শেষ হয় শোভাযাত্রা।

এবারের শোভাযাত্রায় মোট তিনটি প্রধান প্রতীক বা মোটিফ রাখা হয়েছে। এগুলো হলোÑ বাঁশ, বেত ও কাগজের তৈরি পাখি, ঘোড়া ও মাছ।

চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ও শিল্পী, হোস্টেল ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) খন্দকার মাশরুর আল ফাহিম বলেন, আমরা সম্পূর্ণ পচনশীল উপাদান ব্যবহার করে এই মোটিফগুলো নির্মাণ করেছি। এতে বাঁশ, বেত, কাঠ, কাগজ ও রঙের ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রধান তিনটি মোটিফের প্রতীকী তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, পাখিকে আমরা শান্তির প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেছি, ঘোড়াকে দেখানো হয়েছে সাহস ও বীরত্বের প্রতীক হিসেবে। আর মাছের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে আমাদের আবহমান বাংলা ও বাঙালি সংস্কৃতির ‘মাছে-ভাতে’ ঐতিহ্য।

বৈশাখী শোভাযাত্রা শুরুর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, এ বছরটি গণতন্ত্রের পুনরুত্থানের বছর। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে বাঙালি সংস্কৃতিকে বিস্তৃত করার প্রচেষ্টায় সকলকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের শুভেচ্ছা। আমরা একটি বিজ্ঞানভিত্তিক এবং গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আজকের এই নববর্ষের দিনে আমরা সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

এসময় বৈশাখী শোভাযাত্রায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমীন।

এছাড়াও অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক এ জি এম নিয়াজ উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, চাকসু কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান চৌধুরী, মেরিন সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলামসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পহেলা বৈশাখের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ বৈশাখী শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকাল থেকেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এবং আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। ৫০ জন পুলিশ সদস্য, ৪০ জন বিএনসিসি ও ১০ জন রোভার স্কাউট উপস্থিত আইন-শৃঙ্খলার জন্য নিয়োজিত রয়েছেন। 

এছাড়াও এ দিন বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন চবি ক্যাম্পাসে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat