×
ব্রেকিং নিউজ :
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সালাহউদ্দিন আহমদ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচনী প্রচারণায় সন্তোষ প্রকাশ প্রধান উপদেষ্টার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব : আনসার মহাপরিচালক এবারের নির্বাচন দেশ গঠনের নির্বাচন : তারেক রহমান বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ সরাসরি শিপিং ও হালাল খাদ্য সহযোগিতায় আগ্রহী দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৫ দিনের ছুটি জনগণের শক্তিতে বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করতে চাই: তারেক রহমান ইশারা ভাষার মাধ্যমে বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা সম্ভব: সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা বাংলাদেশকে আর বিভক্ত করতে দেবো না : ডা. শফিকুর রহমান রাজধানীর ভাষানটেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ডা. জুবাইদা রহমান
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৫-০৩
  • ৬০০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে ডিআইজি মিজান
নিজস্ব প্রতিনিধি:-  অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত-সমালোচিত পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক। এর আগে সকাল নয়টার দিকে দুদকে আসেন মিজান। দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। গত ২৫ এপ্রিল দুদক থেকে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বরাবর চিঠি পাঠিয়ে মিজানুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে দুদক। চিঠিতে ৩ মে মিজানকে দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছিল। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইজিপি বরাবর অনুরোধ করেছিল দুদক। ডিআইজি মিজানুর ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নানা অভিযোগে গত জানুয়ারির শুরুর দিকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে এক নারীকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ উঠে। ওই নারীর অভিযোগ, পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালের কাছে তার বাসা থেকে তাকে কৌশলে গত বছরের জুলাই মাসে তুলে নিয়ে যান ডিআইজি মিজান। পরে বেইলি রোডের তার বাসায় নিয়ে তিন দিন আটকে রাখেন। এরপর বগুড়া থেকে তার মাকে ১৭ জুলাই ডেকে আনা হয় এবং ৫০ লাখ টাকা কাবিননামায় মিজানকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়িতে তাকে স্ত্রী হিসেবে রাখেন মিজান। অথচ মিজান পূর্ব-বিবাহিত। ওই নারী আরও জানান, কয়েক মাস কোনো সমস্যা না হলেও ফেসবুকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ছবি তোলার পর ক্ষেপে যান মিজান। বাড়ি ভাঙচুরের একটি মামলায় তাকে গত ১২ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর মিথ্যা কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আরেকটি মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়। দুটি মামলায় জামিনে বেরিয়ে আসার পর পুলিশ কর্মকর্তা মিজানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলেন ওই নারী। গত ৮ জানুয়ারি পুলিশ সপ্তাহ শুরুর আগেই বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা হয়। এই  ঘটনা তদন্তে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মঈনুর রহমান চৌধুরীকে প্রধান করে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শাহাবুদ্দিন কোরেশী এবং পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (সংস্থাপন) হাবিবুর রহমানকে নিয়ে কমিটি করার কথাও জানানো হয়। এই কমিটি বেশ গোপনীয়তার সঙ্গে ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশের মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারীর কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। আর দুই দিন পর এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হয় গণমাধ্যমে। তবে সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার খবর পাওয়া যায় এর মধ্যেই মিজানুরের বিরুদ্ধে এক সংবাদ পাঠিকা প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ তুলেছেন। তবে এ ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসন এখনও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এর মধ্যেই তাকে তলব করল দুদক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat