×
ব্রেকিং নিউজ :
রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিডিআর এর নাম পুনর্বহাল করা হবে : তারেক রহমান নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জুড়ে রাজনৈতিক জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে : গোলাম পরওয়ার গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান প্রধান তথ্য কর্মকর্তার নওগাঁয় নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা এই নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের ভিত্তি : চট্টগ্রামের ডিসি ভারতের কাছে ফাইনালে পরাজিত হয়ে বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ আমার সীমাবদ্ধতা আছে: মিথিলা তারেক রহমানের নীরব মানবিক দিক নিয়ে তথ্যচিত্র ‘সবার আগে হাসিমুখ’ ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সালাহউদ্দিন আহমদ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচনী প্রচারণায় সন্তোষ প্রকাশ প্রধান উপদেষ্টার
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৬-২১
  • ৫২১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বিচ্ছিন্নতাবাদী অভিবাসন নীতি পাল্টালেন ট্রাম্প
আন্তর্জতিক ডেস্ক:-  চরম সমালোচনা ও চাপের মুখে অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিচ্ছিন্নতাবাদী অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এ বিষয়ে নতুন একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। আদেশ অনুসারে, এখন থেকে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীদের, তাদের পরিবার থেকে আলাদা করা হবে না। খবর আল জাজিরার।
খবরে বলা হয়, ১৯৯৭ সালের এক মার্কিন আইন অনুযায়ী, অবৈধ অভিবাসনের অভিযোগে (বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকলেও) শিশুদের ২০ দিনের বেশি আটকে রাখা যাবে না। ট্রাম্পের জ়িরো টলারেন্স নীতি সেই আইনও মানেনি। এ নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনকে। এমনকি এই নীতির সমালোচনা করেছেন ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প ও মেয়ে ইভানকা  ট্রাম্প।
বৈধ কাগজপত্র ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা বাবা-মায়ের কাছ থেকে সন্তানদের আলাদা রাখার নীতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়ার পর ট্রাম্পের এই নির্বাহী আদেশ এল।
ট্রাম্প নতুন এই আদেশ নিয়ে বলেন, আমাদের সীমান্তে কড়াকড়ি অব্যাহত থাকবে। কিন্তু আমরা পরিবারগুলোকে এক সাথে রাখবো।
তিনি জানান যে, পরিবার থেকে শিশুদের বিচ্ছিন্ন করা তার পছন্দ নয়। তবে তিনি এটাও জানান যে, অভিবাসনের ওপর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে।
ট্রাম্প পূর্বে দাবি করেন যে, এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি মূলত ওবামা আমলে গৃহীত আইনের ফল।  তিনি বলেন, এটি একটি জঘন্য আইন, কিন্তু এর জন্য আমি দায়ী নই।
তবে ট্রাম্প দাবি করলেও শিশুদের বিচ্ছিন্ন করার কোনো আইন মার্কিন কংগ্রেস কখনোই গ্রহণ করেনি। ওবামা প্রশাসনও এমন কোনো নীতি অনুসরণ করেনি। ২০১৪ সালে এ-জাতীয় একটি প্রস্তাব ওবামার হোয়াইট হাউসে আলোচিত হয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ গৃহীত হয়নি।
ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির আওতায় পরিবার থেকে বিচ্ছন্ন হওয়া শিশুরা
ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে আইনমন্ত্রী জেফ সেশন্স ও ট্রাম্পের অন্যতম উপদেষ্টা স্টিভেন মিলার এই নিয়মের পক্ষে ওকালতি করে আসছেন। সেশন্স এমনকি বাইবেল থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, ঈশ্বর এই নিয়মের পক্ষে। আমেরিকার খ্রিষ্টান নেতৃবৃন্দ অবশ্য সে দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
এদিকে, নতুন নির্দেশ জারি হলেও জ়িরো টলারেন্স নীতি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। সিনেটর জেফ মার্কলি বলেন, এই নির্দেশ জারি কোন ইতিবাচক সমাধান নয়। তিনি আরো বলেন, শিশুদের ও তাদের পরিবারকে বন্দিশালায় আটকে রাখা অগ্রহণযোগ্য ও আন-আমেরিকান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat