Logo
×
ব্রেকিং নিউজ :
ভোলার চরফ্যাসনে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে খাদ্যশস্য বিতরণ হেফাজত নেতা আতাউল্লাহ ও শাখাওয়াত ছয় দিনের রিমান্ডে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে হচ্ছে শত বছরের মাস্টার প্ল্যান লিবিয়ায় আটকে পড়া ১৬০ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে রাষ্ট্রপতি আগামীকাল দ্বিতীয় ডোজ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিবেন প্রধানমন্ত্রী বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন : ওবায়দুল কাদের সকল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করবে আওয়ামী লীগ : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী টেকসই নগরায়নের পাশাপাশি গ্রামগুলোকেও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রায় ১ হাজার গাছ লাগানো হচ্ছে
  • আপডেট টাইম : 20/03/2021 10:51 PM
  • 51 বার পঠিত

ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)’র মহাসচিব ড. ইউসেফ বিন আহমেদ আল-ওসাইমীন বলেছেন, বাংলাদেশ এখন ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তির অন্যতম উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী
উপলক্ষে দশ দিনব্যপী বিশেষ কর্মসূচির আজ চতুর্থ দিনের অনুষ্ঠানে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তির অন্যতম উজ্জ্বল উদাহরণ।’
ওআইসির মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ মুসলিম বিশ্বের উত্তরোত্তর শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য ওআইসির সাথে সর্বদা দৃঢ় অংশীদারিত্ব বজায় রেখেছে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বার্তা প্রেরণ করতে পারাটা তার সৌভাগ্য।
আল-ওসাইমীন বলেন, একাত্তরে বাংলাদেশ মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী দিক-নির্দেশনায় একটি স্বাধীন জাতিতে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু সদ্যসৃষ্ট দেশ ওআইসির সদস্য হিসাবে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন।
মহাসচিব বলেন, তখন থেকে বাংলাদেশ সক্রিয়ভাবে এবং অর্থবহভাবে সংস্থার কার্যক্রমে অবদান রাখছে, ইসলামী সহযোগিতা ও সংহতির মূল উদাহরণ হিসাবে কাজ করছে।
তিনি বলেন, জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে নতুন জন্ম নেয়া দেশকে উপস্থাপন করে বাংলাদেশ ও ইসলামী বিশ্বের মধ্যে সম্পর্কের অগ্রণী ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে ওআইসির দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেন এবং এটি ছিলো যৌথ ইসলামী কর্মকা- এবং মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতি উন্নয়নের ঐতিহাসিকভাবে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।
আল-ওসাইমীন বলেন ১৯২০ সালে মার্চ মাসে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশের জাতির পিতা ‘সোনার বাংলা’ গড়ার লক্ষ্যে বৈষম্য ও অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধুর আজীবন সেবা দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের এ লগ্নে সর্বদা স্মরণীয় ও প্রশংসিত।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বৈষম্য ও অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এবং তার পিতার স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বাস্তবায়ন করতে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন।
আল-ওসাইমীন এ উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী এবং জনগণকে অভিনন্দন জানান।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ফরাসি সিনেটর এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আন্তঃসংসদীয় ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মাদাম জ্যাকুলিন দেরোমেদির একটি রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তাও প্রচার করা হয়।
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...