×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২১-১১-১৭
  • ৭৫৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি যশোরের বাঘারপাড়ার মো. আমজাদ হোসেন মোল্লার জামিন বাতিল করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
সাক্ষীদের হুমকি দেয়া হয়েছে এ অভিযোগের ভিত্তিতে প্রসিকিউশন এ আসামির জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করেন। এই আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।
আদালতে প্রসিকিউটর ছিলেন রেজিয়া সুলতানা চমন। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম।
২০১৮ সালে ১৬ এপ্রিল রাজধানীর ধানমন্ডিতে এ মামলায় তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেয়া হয়। আসামি ৫ জনের মধ্যে গ্রেফতার ছিলেন মো.আমজাদ হোসেন মোল্লা।
পরে তাকে জামিন দেয় ট্রাইব্যুনাল। জামিন পেয়ে তার পক্ষের লোকজন সাক্ষীদের হুমকি দিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ আনেন প্রসিকিউশন।
এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে আটক, নির্যাতন, হত্যাসহ মানবতা বিরোধী অপরাধের চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে। আমজাদ মোল্লা যশোর বাঘারপাড়া থানার রাজাকার কমান্ডার ছিলেন। আসামি ১৯৭১ সালে মুসলিম লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।  ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল এ মামলার তদন্ত শুরু হয়ে ২০১৮ সালের ১৬ এপ্রিল শেষ হয়। মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে ৪০ জনকে।
আসামিদের বিরুদ্ধে রয়েছে জেলার বাঘারপাড়া থানাধীন উত্তর চাদঁপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তাকারী মো. ময়েনউদ্দিন ওরফে ময়না এবং মো. আয়েনউদ্দিন ওরফে আয়েনকে অপহরণ করে হত্যার অভিযোগ। 
একই গ্রামের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক ও আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাদানকারী ডা. নওফেল উদ্দিন বিশ্বাসকে হত্যা, গাইদঘাট গ্রামের সুরত আলী বিশ্বাস ও মোক্তার বিশ্বাসকে অপহরণ করে হত্যা এবং মাগুরা জেলার শালিখা থানার সীমাখালীর চিত্রা নদীর খেয়াঘাটের মাঝি রজব আলী বিশ্বাসকে আটক করে হত্যা করার অভিযোগও রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat