×
ব্রেকিং নিউজ :
খাদ্য, বিদ্যুত, আর্থিক সংকট কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে সু-সমন্বিত প্রচেষ্টার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান উল্লাপাড়ায় নিখোঁজ ভ্যান চালকের লাশ তিন দিন পর বিল থেকে উদ্ধার নড়াইলে ৭০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ গ্রেপ্তার ১ নানা মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কাপ্তাই হ্রদে মাছের পোনা অবমুক্ত পদ্মাসেতু নির্মাণ বিষয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দ বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে : ওবায়দুল কাদের কান উৎসবে 'মুজিব' বায়োপিকের ট্রেলার উদ্বোধন বিএনপিসহ সকল রাজনৈতিক দলকে আলোচনায় বসার আহবান জানানো হবে : সিইসি শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ : খাদ্যমন্ত্রী বিশ্ব মেডিটেশন দিবস কাল
  • আপডেট টাইম : 12/05/2022 11:28 PM
  • 50 বার পঠিত

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বলেছেন, সারাদেশের নদী ভাঙ্গন রোধে দ্রুত কাজ করছে সরকার। এজন্য নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটকে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরিত করা হচ্ছে, যাতে দেশের নদনদী নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া যায়।
আজ ফরিদপুর নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন এবং কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোঃ আলিমউদ্দিন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবদুল হেকিম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সৈয়দ সাহিদুল আলম, ফরিদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম সাহা, শরীয়তপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম আহসান হাবীব উপস্থিত ছিলেন।
এনামুল হক শামীম আরো বলেন, দেশের ২২টি জেলায় ভাঙনের ঝুঁকিপূর্ণ ৫৪টি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় যেহেতু স্থায়ী প্রকল্প নেয়া হচ্ছে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের মানুষ অনেকাংশে জলাবদ্ধতা ও নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে।
ভৌগোলিকভাবে ভাটির দেশ বাংলাদেশে বন্যা ও নদী ভাঙনের ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরে উপ-মন্ত্রী শামীম বলেন, এই বন্যা অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উপর নির্ভর করেনা। এটা ভারতের আসাম, জলপাইগুড়ি, নেপাল ও চীনের অঞ্চলগুলোর উপরও নির্ভর করে। তাই সারাদেশে তীব্র নদী ভাঙন কবলিত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কারণেই গত ১৩ বছরে সারাদেশে নদীভাঙনের পরিমাণ সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর থেকে সাড়ে ৩ হাজার হেক্টরে চলে আসছে। হাওড় অঞ্চলেও ভাঙন রোধে কাজ করা হয়েছে। একারণে সেখানকার কৃষকরা ফসল ঘরে তুলতে পেরেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...