×
ব্রেকিং নিউজ :
চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি : শ্রমমন্ত্রী জলবায়ু-সহিষ্ণুতা বৃদ্ধিতে আইএফআরসির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব চান শামা ময়মনসিংহে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন সানডে’ কর্মসূচি পালিত পঞ্চপল্লী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ চা শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো দুর্নীতিবাজ হতে পারেন না: বিমানমন্ত্রী জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে : আইনমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এসডিজি জাতীয় প্রচার অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ইউএনওপিএস-এর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৮-০৭
  • ৮৬৮৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ভোলা জেলায় গত দুইদিন ধরে টানা বৃষ্টিতে জন দুর্ভোগ বাড়ার পাশাপাশি আমন আবাদে আশীর্বাদ বয়ে এনেছে। 
রোববার ভোর থেকে বিরতিহীন বর্ষণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্থানীয় জনজীবন। কখনো মাঝারি আবার কখনো ভারি বৃষ্টিপাতে সবচে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ। টানা বৃষ্টির প্রভাবে খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেনা মানুষ। অফিস-আদালত পাড়ায় স্বাভাবিকের চাইতে উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা গছে। সড়কে যানবাহনের সংখ্যাও সীমিত রয়েছে।
এদিকে টানা বৃষ্টি ও অতিরিক্ত জোয়ারে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ভেড়িবাঁধের বাইরে বেশ কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলি জমি, মাছের পুকুর-ঘেরসহ বিভিন্ন স্থাপনা। পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার। সংকটে পড়েছে বিভিন্ন প্রাণিকূল।
শহরের গাজীপুর রোডের রিক্সাচালক কবির হোসেন বলেন, মুষলধারে বৃষ্টির কারণে জনসাধারণ বাইরে কম বরে হচ্ছে। এতে তাদের কম ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে। একইসাথে ভারি বর্ষণের ফলে তাদের রিক্সা চালাতে সমস্যা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। দিনমজুর লোকমান আলী বলেন, বৃষ্টির জন্য আজ কাজে যেতে পারেননি তিনি।
ভোলা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক মো. মাহবুবুর রহমান  জানান, সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গপোসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালা সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবেই মূলত বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গতকাল দুপুর ১২ টা থেকে আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলায় ১০৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ৩-৪ দিন এমন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে টানা বর্ষণে আমন আবাদে আশীর্বাদ বয়ে এনেছে। প্রচন্ড খরায় আমন আবাদে কৃষকের সমস্যা হচ্ছিল। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে আমন আবাদে কৃষকদের স্বস্তি এনে দিয়েছে। একই সাথে বর্জপাত ও বৃষ্টির পানিতে ইউরিয়া তৈরি হচ্ছে জমিতে। ফলে কৃষকদের ইউরিয়া সার কম লাগবে বলে জানান- জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ সহকারী উদ্বিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. হুমায়ন কবির।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat