×
ব্রেকিং নিউজ :
২০২৬ সালে হজযাত্রীরা ৩ কোটির বেশি টাকা ফেরত পাবেন : ধর্ম উপদেষ্টা চট্টগ্রামের-১৬ আসনে জাতীয় সংসদ ও গণভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন সাতক্ষীরায় নির্বাচনের লক্ষে প্রশাসনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন : জেলা প্রশাসক সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান মনিরুল হক চৌধুরীর হবিগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ভোট দেবেন রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্মাণে গণভোটে সক্রিয় অংশগ্রহণে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার গুলশান মডেল হাই স্কুল এন্ড কলেজে ভোট দেবেন তারেক রহমান ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ভূমি ব্যবস্থাপনায় সরকারের ১০টি মাইলফলক অর্জন: এক ছাতার নিচে সব সেবা
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৬-১৫
  • ৪৪৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটের বর্ষিয়ান আওয়ামী লীগ নেতা ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি ২০২০ সালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
তার চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবারের পক্ষ থেকে ২ দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে খতমে কোরআন, মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল এবং খাবার বিতরণ।
বদর উদ্দিন আহমদ কামরান পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুম কামরানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন কামরানের স্ত্রী আওয়ামী লীগ নেত্রী আসমা কামরান ও তার ছেলে ডা. আরমান আহমদ শিপলু।
বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ১৯৫১ সালের ১ জানুয়ারি সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সময় ১৯৭৩ সালে তিনি প্রথমবার সিলেট পৌরসভার ওয়ার্ড কমিশনার নির্বাচিত হন। ১৯৯৫ সালে হন সিলেট পৌরসভার চেয়ারম্যান।
২০০২ সালে সিলেট পৌরসভা সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হওয়ার পর কামরান মেয়র মনোনীত হন। ২০০৩ সালে সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনে জিতে মেয়র পদ ধরে রাখেন তিনি।
২০০৭-০৮ সালে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আরও অনেক রাজনীতিবিদের মত কামরানকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। ওই সময় জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা কামরান কারাগারে থেকে নির্বাচন করেও বিপুল ভোটে জয়ী হন।
২০১৩ সালের নির্বাচনে আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে হেরে গিয়ে মেয়র পদ হারান কামরান। এরপর ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বীতার মধ্যদিয়ে পরাজিত হন।
১৯৮৯ সাল থেকে সিলেট শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০০২ সালে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হন কামরান। তিনি প্রায় দেড় যুগ সেই দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদ পান কামরান। তিনি মৃত্যুর  পর্যন্ত একই পদে দায়িত্ব পালন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat