×
ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয় : হুইপ বকুল শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিকল্প পথে সৌদি থেকে চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন তেল জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান মন্ত্রীর শনিবার বায়তুল মোকাররমে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের বেকারত্ব মোকাবিলায় নতুন শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা : শিল্প মন্ত্রী ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ এপ্রিল বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জেটরো’র কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের বৈঠক
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১০-০৫
  • ৩৪৩২৩৩৬৪৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
নীলফামারী জেলায় তিস্তা নদীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২০ হেক্টর জমির আমন ক্ষেত। এর মধ্যে ১১ হেক্টর  আংশিক  এবং সম্পূর্ণ ক্ষতি হয়েছে নয় হেক্টর জমির আমন আবাদ। জেলা কৃষি বিভাগ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে , গত রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) তিস্তার বন্যয় জেলার ডিমলা, জলঢাকা ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ২০ হেক্টর জমির আমন ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়। এর মধ্যে নয় হেক্টর জমির আমন ক্ষেত সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১১ হেক্টর জমির আমন ক্ষেত। দ্রুত বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় ক্ষতির পরিমান কমেছে।
জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান জানান, তিস্তার ঢলের পানির সঙ্গে নি¤œাঞ্চলে প্রবেশ করায় আমন ক্ষেতের ক্ষতি হয়। পানির সঙ্গে পলি ও বালু প্রবেশ করেছে এসব ফসলের ক্ষেতে। দ্রুত পানি নেমে যাওয়ায় অনেক আমন ক্ষেত জেগে উঠেছে। আবার অনেক ক্ষেত পলি মাটি এবং বালিতে ঢাকা পড়েছে।
তিনি বলেন,  ইউনিয়নের পূর্ব ছাতনাই ও ঝাড়সিংহেরস্বর মৌজার প্রায় চারশ’ বিঘা জমির উঠতি আমন ফসল পানি নিচে নিমজ্জিত হয়েছে। এর মধ্যে নদী ভাঙন ও পলির-বালির নিচে চাপা পরে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫০ বিঘা জমির আমন ধান ক্ষেত।
জেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবু বকর সাইফুল ইসলাম বলেন, তিস্তার সাম্প্রতিক বন্যায়  ডিমলা, জলঢাকা ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার নদী তীরবর্তী ২০ হেক্টর জমির ফসল বন্যার পানিতে নিমজ্জিত ছিল। এর মধ্যে নয় হেক্টর জমির আমন ফসল সম্পূর্ণ ক্ষতি হয়েছে। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১১ হেক্টর।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ছয়টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েণ্টে নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে দুই সেণ্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর থেকে কমতে শুরু করলে সেদিন সন্ধ্যা ছয়টায় বিপদসীমার ২০ সেণ্টিমিটার নিচে নামে। এতে দ্রুত তিস্তাপাড়ের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়।
জেলায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমান জানান, সে সময় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঢলের পানি নেমে যাওয়ায় দ্রুত বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়। বন্যায় কোন বাধ বা স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। 
তিনি আরও  জানান,  আজ শনিবার সকাল নয়টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৪০ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহি হচ্ছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। ব্যারাজের ৪৪ টি জলকপাটের সবগুলো খুলে রাখা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat