×
ব্রেকিং নিউজ :
রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিডিআর এর নাম পুনর্বহাল করা হবে : তারেক রহমান নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জুড়ে রাজনৈতিক জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে : গোলাম পরওয়ার গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান প্রধান তথ্য কর্মকর্তার নওগাঁয় নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা এই নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের ভিত্তি : চট্টগ্রামের ডিসি ভারতের কাছে ফাইনালে পরাজিত হয়ে বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ আমার সীমাবদ্ধতা আছে: মিথিলা তারেক রহমানের নীরব মানবিক দিক নিয়ে তথ্যচিত্র ‘সবার আগে হাসিমুখ’ ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সালাহউদ্দিন আহমদ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচনী প্রচারণায় সন্তোষ প্রকাশ প্রধান উপদেষ্টার
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১১-৩০
  • ২৩৪৩৪৫২৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম আমাদের স্বাস্থ্যসেবা খাত ‘চিকিৎসা ব্যবস্থা কেন্দ্রিক’ হয়ে গেছে উল্লেখ করে রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। 

তিনি বলেন, রোগ যাতে না হয় সেজন্য যথাযথ প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এজন্য সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা একান্ত জরুরি। 

উপদেষ্টা আজ ঢাকার আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে সোসাইটি অব নিউরোলজিস্ট অব বাংলাদেশের উদ্যোগে বিশ্ব মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার দিবস উপলক্ষে সায়েন্টিফিক সেমিনারের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা কোভিড চলাকালে চিকিৎসক, নার্স ও টেকনোলজিস্টদের চিকিৎসা সেবার প্রশংসা করে বলেন, কাউকে দেশের বাইরে যেতে হয়নি, সবাই দেশে চিকিৎসা পেয়েছেন। এ ধরনের মহাদুর্যোগগুলো যদি তারা মোকাবিলা করতে পারেন, আশা করা যায় বাকি দুর্যোগগুলোও তারা মোকাবিলা করতে  পারবেন। 

চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ বিষয়ে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি চাই আমাদের চিকিৎসকরা যেকোনো বিষয়ে যাতে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং সেই শিক্ষাটা যাতে দেশের মানুষের কল্যাণে লাগে। এতে এদেশের মানুষ উপকার পাবে।’ 

প্রশিক্ষণের সময় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি প্রশিক্ষণের সময় আরো বাড়ানো উচিত। সে সকল বিষয় প্রশিক্ষণে থাকে আমরা যাতে সেগুলো হাতে কলমে  শিখতে পারি।’ 

নূরজাহান বেগম বলেন, ‘আমার কাছে চল্লিশের ওপরে ডাক্তারের তালিকা আছে যারা বিদেশে গিয়ে দেশে আর আসেননি। তাদেরকে একাধিকবার চিঠি দেয়া সত্বেও তারা দেশে আসেননি। একটা দরিদ্র দেশ হিসেবে এত অর্থের অপচয় আমরা কিভাবে মেনে নেব।’ 

তিনি আরও বলেন, ডিমেনশিয়া ও মুভমেন্ট ডিসঅর্ডার নিয়েও আমাদের দেশেই গবেষণা হওয়া উচিত। 

সোসাইটি অব নিউরোলজিস্ট অব বাংলাদেশের আহবায়ক প্রফেসর ডা. এম এ হান্নানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী আধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর, ন্যাশনাল ইনিস্টিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের পরিচালক প্রফেসর ডা. কাজী দীন মোহাম্মদ, সোসাইটি অব নিউরোলজিস্ট অব বাংলাদেশের সদস্য সচিব ডা.মোহাম্মদ নাজমুল হুদা প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat