×
ব্রেকিং নিউজ :
শ্রীলঙ্কায় তীব্র খরা ও ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা ম্যানিলায় আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামে খলিলুর-জয়শঙ্কর শুভেচ্ছা বিনিময় চাদে কূপের দখল নিয়ে বাড়ছে প্রাণঘাতী সংঘাত ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ না বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রকে রুশ সতর্কতা দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী লোহিত সাগরে দুটি সৌদি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার দাবি হুথিদের, ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা টোকিওতে প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে একজনের মৃত্যু এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া, মিয়ানমার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে ভারতের শোবিজ তারকারা
  • প্রকাশিত : ২০১৯-১০-১৪
  • ৪৭৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় গাইবান্ধার পাঁচ আসামীর রায় আগামীকাল

মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গাইবান্ধার পাঁচ আসামীর বিষয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।আজ সোমবার ১৪ অক্টোবর বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ দিন ধার্য করে আদেশে দেন। এ মামলায় প্রসিকিউটর ছিলেন মোখলেসুর রহমান বাদল। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবুল হাসান।
এর আগে গত ২১ জুলাই এ মামলার শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়। মামলায় মোট আসামি ছিল ছয়জন। তাদের মধ্যে মো. রঞ্জু মিয়া গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন।
পলাতক আসামিরা হলেন- রাজাকার কমান্ডার আবদুল জব্বার (৮৬), মো. জাফিজার রহমান খোকা (৬৪), মো. আবদুল ওয়াহেদ মন্ডল (৬২), মো. মমতাজ আলী বেপারি মমতাজ (৬৮) ও মো. আজগর হোসেন খান (৬৬)। তাদের মধ্যে আজগর হোসেন খান মারা গেছেন।আসামীদের বিরুদ্ধে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে হত্যা-গণহত্যা, ধর্ষণ, আটক, অপহরণ, নির্যাতন, বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট-অগ্নিসংযোগ, ভয়-ভীতি এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের ধর্মান্তর ও দেশান্তরে বাধ্য করাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে।আসামীরা গাইবান্ধা সদরের নান্দিদা ও ফুলবাড়ি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা এবং সবাই জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। আসামীদের মধ্যে মো. আবদুল জব্বার, মো. জাফিজার রহমান খোকা ও মো. আবদুল ওয়াহেদ মন্ডল ১৯৭১ সালের আগে থেকেই জামায়াতের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। জব্বার ও খোকা মানবতাবিরোধী অপরাধে ১৯৭২ সালে গ্রেফতার হলেও তাদের কোনো বিচার হয়নি।খোকার বর্তমান ঠিকানা রাজধানীর কাফরুল থানার উত্তর ইব্রাহিমপুর। তিনি ১৯৭৫ সালে পুলিশের চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১৪ সালে অবসর নেন। মো. মমতাজ আলী বেপারি মমতাজ ১৯৭৪ সালে কৃষি বিভাগে চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১২ সালে অবসর নেন বলে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat