×
ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের কানাডার প্রতি ‘হস্তক্ষেপ দূর’ করতে সহযোগিত জোরদারের আহ্বান চীনের ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের লড়াইয়ে ইউরোপকে পাশে চান রুবিও আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান মিনেসোটায় অভিবাসী ধরপাকড় ‘স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ’ : ওবামা মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এআইকে ‘অস্ত্র’ বানাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা, মোকাবিলায় ইন্টারপোলের নীরব যুদ্ধ
  • প্রকাশিত : ২০২০-০২-০২
  • ৫২২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
হরতাল জনগণ ঘৃণা ভরে প্রত্যাখান করেছে : মোহাম্মদ নাসিম

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বিএনপির ডাকা হরতাল জনগণ ঘৃণা ভরে প্রত্যাখান করেছে।তিনি বলেন, ‘বিএনপির ডাকা আনাকাঙ্খিত হরতাল জনগণ প্রত্যাখান করেছে। ঢাকায় কোন হরতাল হচ্ছে না। হরতালের নামে বিএনপি প্রহসনের নাটক করছে।’
মোহাম্মদ নাসিম আজ রোববার ধানমন্ডিস্থ নিজ বাসভবনে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের জরুরী বৈঠকে নির্বাচনের নানা দিক নিয়ে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বলেন, মুজিব বর্ষের শুরুতে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি এই বিজয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই বিজয় গণতন্ত্রের বিজয়, এই বিজয় স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির বিজয়।বিজয়ী মেয়ররা তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেন আশা প্রকাশ করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, নতুন মেয়ররা খুবই যোগ্য। তাদের ইশতেহার বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় সরকার সর্বোচ্চ সহায়তা করবে। নির্বাচনের আগে পরিচ্ছন্ন ঢাকা, মশামুক্ত ঢাকা গড়ার যে প্রতিশ্রুতি তারাদিয়েছিলেন আমরা আশা করি তারা তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেন। তারা যে কথা দিয়েছেন, তারা তাদের কথা রাখবেন।১৪ দলের মুখপাত্র বলেন, বিএনপির নেতারা অনেক হুংকার আর আওয়াজ দিলেও তাদের মাঠে পাওয়া যায়নি। তারা হুংকার দিলেও সময়মতো তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না।তিনি বলেন, আমরা বিস্মিত হয়েছি, ভোটের লড়াইয়ে ডাকসাইটে নেতাদের মাঠে পাওয়া যায়নি। বিএনপির দুই প্রার্থী একাই লড়ে গেছেন। বিএনপি মাসজুড়ে ইভিএম বিরোধী প্রচারণা চালানোয় জনগণ বিভ্রান্ত হয়েছেন।আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বলেন, সিটি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে। অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। বিএনপির নির্বাচন বিরোধী চরিত্রের কারণে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। তারা ভোটারদের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করেছে।সভায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, তথ্যপ্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়–য়া, জাতীয় পার্টি জেপির মহাসচিব শেখ সহিদুল ইসলাম, গণআজাদী লীগের সভাপতি ডা. শাহাদাৎ হোসেন, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের যুগ্মআহবায়ক আসীত বরণ রায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat