×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৮-১০
  • ৯১২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার আসামি কারাগারে থাকা সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেছে আদালত। 
আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের ভার্চুয়াল আদালতে শুনানী শেষে তার জামিন আবেদন খারিজ করা হয়। ১২ মে গ্রেপ্তার হওয়ার পর এটিই বাবুল আক্তারের প্রথম জামিন আবেদন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাবুল আক্তারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আজমুল হুদা। 
তিনি বলেন, ‘আমরা সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের জামিনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে আবেদন করেছি। আদালত শুনানি শেষে তা না মঞ্জুর করে।’
২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে মিতু তার ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে তাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। মিতু হত্যার পর তার স্বামী বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
গত ১২ মে সেই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয় পিবিআই। একইদিন মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন নগরীর পাঁচলাইশ থানায় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারসহ আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের ৪৭ মিনিটের মাথায় তদন্তভার নেয় পিবিআই।
পিবিআই ১২ মে বাবুল আক্তারকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১৭ মে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি গ্রহণের জন্য। কিন্তু বাবুল আক্তার আদালতে জবানবন্দি না দেওয়ায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। প্রথমে চট্টগ্রাম কারাগারে ছিলেন বাবুল আক্তার। ২৯ মে তাকে ফেনী কারাগারে স্থানান্তর করে কারা কর্তৃপক্ষ।
মিতু হত্যার ৫ বছরের মাথায় তার পিতা মোশারফ হোসেনের দায়ের করা মামলায় বাবুলের সহযোগী আছে আরও সাতজন। তারা হলেন- কামরুল ইসলাম শিকদার প্রকাশ মুসা, এহতেশামুল হক ভোলা, মোতালেব মিয়া প্রকাশ ওয়াসিম, আনোয়ার হোসেন, খায়রুল ইসলাম কালু, সাইফুল ইসলাম শিকদার ও শাহজাহান মিয়া।
আসামিদের মধ্যে কামরুল ইসলাম শিকদার প্রকাশ মুসা ও খায়রুল ইসলাম কালুর কোনো হদিস পায়নি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা। এহতেশামুল হক ভোলা জামিনে গিয়ে পলাতক আছেন। সম্প্রতি তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই তিনজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয় আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat