×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে
  • প্রকাশিত : ২০২১-১২-১৯
  • ১১৭৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, আগামীতে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি প্রক্রিয়া লটারির আওতায় আসবে।
তিনি আজ বিকেলে রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা অ্যাকাডেমি (নায়েম) মিলনায়তনে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ডিজিটাল লটারি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা জানান ।
তিনি বলেন, দেশের সরকারি-বেসরকারি সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধ ও তদবির বন্ধে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর সরকারি মাধ্যমিকে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাইয়ে ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভর্তির ক্ষেত্রে আগে আমরা যা দেখতাম, সেটা ভর্তি যুদ্ধ। ভর্তি নিয়ে বাবা-মায়ের যুদ্ধ। ছোট ছোট শিক্ষার্থী যারা ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হবে তাদের জোর করে মুখস্ত করাচ্ছেন, বাবা-মা নিজেরাও মুখস্ত করছেন। এই রকম একটা ভর্তি যুদ্ধের অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।’
তিনি আরো বলেন, ভর্তির ক্ষেত্রে যে সব নেতিবাচক চর্চা রয়েছে তা থেকে বেরিয়ে আমরা ইতিবাচক দিকে আসতে চাইছি।  সব চেয়ে বেশি নম্বর পাওয়া মেধাবী শিক্ষার্থী সব এক স্কুলে। তার চেয়ে নানা ধরনের মেধার শিক্ষার্থী একসঙ্গে  থাকলে আমরা মান সম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারব।
তিনি বলেন, ‘বিদ্যালয়ে ভর্তি যুদ্ধ তো হয়ই, আমাদের ওপরও যুদ্ধ চলে আসে। সব কিছু পড়ে বেশি নম্বর পেয়ে স্কুলে ভর্তি হতে হয়, তাহলে স্কুলের কৃতিত্বটা কী? কম নম্বর পাওয়া একজন শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে সে বেশি নম্বর পেলে এটাই শিক্ষকের কৃতিত্ব।  
এছাড়া বেশি নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে বেশি নম্বর পেলে তাতে শিক্ষকের আত্মতৃপ্তির জায়গা থাকে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ভর্তির বিষয়ে শিশুদের ওপর প্রচন্ড মানসিক চাপ থাকে। একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। এর মধ্যে একটি অনৈতিক বিষয়ও জড়িয়ে যায়। অনেক রকম তদবিরের চাপ থাকে। কী করে এ থেকে উত্তরণ ঘটানো সম্ভব তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। ঠিক সেই সময় এসে গেলো করোনা। করোনা না আসলেও আমরা লটারির কথা ভেবেছিলাম। গত বছর লটারি করার পর অধিকাংশ জায়গা থেকে ফোন এসেছে। দু’চারটি জায়গা ছাড়া সবাই এতে খুশি। এতে সমতা তৈরির সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভর্তি ও কোচিং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এটা যেহেতু চালু হয়েছে প্রতিবছরই এটা থাকবে। গত বছর করা হয়েছিলে মহানগরে। এবার জেলা পর্যায়ে লটারি করা হয়েছে। উপজেলাগুলো আমরা এবার লটারির আওতায় আনিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat