×
ব্রেকিং নিউজ :
তারেক রহমান কোনো একক দলের নন, বাংলাদেশের নেতা : আবদুস সালাম নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সব ধরনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে : জামায়াত আমির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে আচরণবিধি প্রতিপালনের নির্দেশ ইসির বিএনপি কাজে বিশ্বাস করে, সমালোচনায় নয়: মির্জা ফখরুল তারেক রহমানকে ‘সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী’ আখ্যা দিয়েছে দ্য ডিপ্লোম্যাট উইন্ডসর ছাড়লেন ব্রিটেনের সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রু : বিবিসি নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করলো মার্কিন সামরিক বাহিনী গাদ্দাফি পুত্র সাইফ আল ইসলাম নিহত
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৪-০৫
  • ৮৪৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

সার সরবরাহ সীমিত করে ফসলের উৎপাদন হ্রাসের জন্য বিএনপি নেতা-কর্মীদের সিন্ডিকেটের সমালোচনা করে, প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় সারের দাবিতে আন্দোলনরত কৃষকদের গুলি করে হত্যা করায় ২০০১-২০০৬ সালের মেয়াদে বিএনপি-জামায়াত সরকারের কঠোর সমালোনা করেন।
জয় তার ভেরিফাইড টুইটার বার্তার মাধ্যমে শেয়ার করা একটি নিবন্ধে বিএনপি-জামায়াতের মেয়াদের বর্ণনায় আরো বলেছেন, "সারের অভাবে চাষাবাদ করতে না পেরে সাতক্ষীরা, নড়াইল, মেহেরপুর, খুলনা, রংপুর ও রাজশাহীতে কৃষকরা কফিন ও কাফন নিয়ে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। কিন্তু বিএনপি সরকার তার দলীয় গুন্ডাদের মোতায়েন করে সাধারণ কৃষকদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়।
আলবিডি সাইটে (www.albd.org)পোস্ট করা নিবন্ধে বলা হয়েছে, "কুড়িগ্রাম ও জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ১২ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। সারের অভাবে বাংলাদেশে বোরো এবং ইরি চাষ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছিল।"
গ্রামের কৃষকদের সার সংকটের জন্য বিএনপির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক ও তার সহযোগীদের দ্বারা গঠিত একটি সিন্ডিকেটকে দায়ি করে নিবন্ধে বলা হয়েছে, "ফলে ফসলের উৎপাদন কমে গিয়েছিল এবং তিন থেকে চার কোটি প্রান্তিক কৃষক অনাহারে থাকতে বাধ্য হয়েছিল।
"নানা সুবিধা নিয়ে বিএনপি নেতারা কৃষকদের নিঃস্ব করার অপচেষ্টা শুরু করেছিল। এমনকি বিএনপির দুর্বৃত্তরা ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা থেকে লাখ লাখ বস্তা সার লুট করেছিল। টাকা ভাগাভাগি নিয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে ছাত্রদলের এক নেতা নিহত হন।
সংকট সমাধানে আওয়ামী লীগ সরকারের অবদানের কথা উল্লেখ করে নিবন্ধে বলা হয়েছে, "তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়ন। ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে এখন পর্যন্ত সরকার বিভিন্ন কৃষি কর্মসূচিতে ৭৪,৫৪,৩১৩ জন কৃষকের মধ্যে ৮২৭.১৭ কোটি টাকার প্রণোদনা বিতরণ করেছে।"
"বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নির্দেশে কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে সার ও হাইব্রিড বীজ দিতে ২০২১ সালে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হয়েছে। কৃষি উপকরণ সহায়তার জন্য ২ কোটি ৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪ জন কৃষককে স্মার্ট কার্ড দেয়া হয়েছে।
ব্যাংকিংয়ে কৃষকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য বর্তমান সরকারের প্রশংসা করে এতে বলা হয়েছে, "আওয়ামী লীগ সরকার কৃষকদের জন্য মাত্র ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ করে দিয়েছে। ১১ মিলিয়নেরও বেশি কৃষক এখন এই ব্যাংক পরিষেবা গ্রহণ করছেন। কৃষকরা এখন কৃষিকাজের জন্য সুদমুক্ত ও স্বল্প সুদে ঋণ পাচ্ছেন। ফলে প্রান্তিক কৃষকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছে এবং তাদের আগামী প্রজন্ম শিক্ষার আলোয় আলোকিত হচ্ছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat