×
ব্রেকিং নিউজ :
মা-বাবার কবর জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারণা শেষ করলেন তারেক রহমান বিএনপি সরকার গঠন করলে জলবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে: তারেক রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভুয়া অফিস আদেশ সম্পর্কে ইসির সতর্কবার্তা সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মতবিনিময় সভায় রমজানে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির আহ্বান শেষ দিনে বগুড়ায় তারেক রহমানের আসনে ধানের শীষের পক্ষে মহিলা দলের মিছিল মাদারীপুরে ধানের শীষে ভোট চাইলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার শহিদুল ইসলাম ঝালকাঠিতে নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেটদের করণীয় সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হলে প্রতিহত করা হবে : মির্জা আব্বাস ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, রাষ্ট্র সংস্কারই দেশের প্রধান প্রয়োজন : মাওলানা মামুনুল হক জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ : দলমত নির্বিশেষে নিরাপদ দেশ গড়ার অঙ্গীকার তারেক রহমানের
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৩-০৬
  • ৪৭৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, যুক্তিসঙ্গত সব সাজেশন সরকার শুনতে চায়। যারা মানুষের কথা বলবে, তাদের কথা সরকার শুনবে। সুশীল সমাজের বক্তব্য বন্ধ করার উদ্দেশ্য সরকারের নেই।
তিনি বলেন,সুশীল সমাজের সুপারিশগুলো সরকার গুরুত্বের সাথে নেবে এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সরকারের সাথে সংশি¬ষ্ট সকলের আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত রয়েছে।
 আজ রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ইউএসএইডের  প্রমোটিং অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড রাইটস্  প্রকল্পের আওতায় কাউন্টারপার্ট ইন্টারন্যাশনাল এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর নট ফর প্রফিট ল (আইসিএনএল) আয়োজিত ‘শেপিং অভ্ থার্ড সেক্টরল’স এন্ড পলিসিস’ বিষয়ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে আবার বসা হবে,সেখানে যে কেউ মতামত দিতে পারবেন।  অনেকেই বলেছেন, এই আইন করে কোনো উপকার হয়নি, আমার মনে হয় কিছু কিছু উপকার হয়েছে। তিনি আরো  জানান, সব আইনেরই কিছু কিছু পদ্ধতিগত সমস্যা থাকে। আবার কিছু কিছু বাস্তবায়নের সমস্যা থাকে। যখন বাস্তবায়নে সমস্যা হয়, তখন আলোচনার মাধ্যমে তার সমাধান করা হয়। ঠিক সে কারণেই বলছি, এই আইন নিয়ে আমরা আবারও বসবো। যদি বিধি পরিবর্তন করে সমস্যার সমাধান করতে পারি, তাহলে অবশ্যই আমরা সেদিকে যাবো। যদি তার পরেও আমরা দেখি যে, আইনটির সংশোধন করা প্রয়োজন আছে, সেটা করতেও আমরা পিছপা হবো না। কিন্তু সম্পূর্ণ আইনটিকে বাতিল করে দেওয়া যুক্তিসঙ্গত হবে না।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ আসুন আমরা আইনটি নিয়ে আবার বসি এবং আইনটির সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের ব্যবস্থা করি। এই বৈঠক রমজানের আগেই হতে পারে।’
নাগরিক সমাজের প্রতি ইঙ্গিত করে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের যেমন সংবিধানের প্রতি আনুগত্য আছে, তেমনি আমাদেরও আনুগত্য আছে। আমরাও চাই না সংবিধান বিরোধী কোনো আইন হোক। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিষয়ে তিনি বলেন, কারও বাক-স্বাধীনতা বা সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য এটা তৈরি করা হয়নি। পেনাল কোডে ফিজিক্যালি চুরি করলে কি শাস্তি হয়, সেটা আছে। প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে চুরি আর শুধু ফিজিক্যালি হয় না। ডিজিটাল মাধ্যমেও হয়। ডিজিটাল মাধ্যমে যে অপরাধগুলো হচ্ছিল তা প্রতিরোধের জন্য একটি আইনের প্রয়োজন ছিল। বিশে^র যেখানেই এই আইনের বিষয়ে কথা হয়েছে, সেখানে কেউ বলেনি, এ আইনের প্রয়োজনীয়তা নেই।
তিনি বলেন, আইনটি ভেটিং এর জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে এলে অংশীজনদের সঙ্গে একটি বৈঠক করা হয়েছিল। এরপর সংসদে স্থায়ী কমিটির সভায় এটকো ও সম্পাদক পরিষদসহ বিভিন্ন অংশীজনের সাথে আলাপ-আলোচনা করা হয়েছিল। সেখানে অংশীজনদের কিছু  পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছিল। দু:খের হলেও সত্য এই আইন করার পর আমরা অনেক মিসইউজ ও অ্যাবিউজ দেখেছি। যখন এই আইনের যথেষ্ট অপব্যবহার হওয়ার প্রবণতা দেখা দিয়েছিল, তখন তাৎক্ষণিকভাবে আমি নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে বসেছিলাম এবং জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভার্চুয়ালি বৈঠকে বসেছিলাম। এই বৈঠকে আমরা প্রথমে যে সিদ্ধান্ত  নিয়েছিলাম, সেটা হচ্ছে আইনটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হোক। এরপর আমি জেনেভায় গিয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেছিলাম। সেখানে সিদ্ধান্ত  হয় যে, পৃথিবীতে এরকম কোন আইন আছে কি না, যদি থেকে থাকে তাহলে তার বেস্ট প্রাকটিসগুলো কি কি? সেটা জানা এবং সেটাকে এই আইনের সাথে যুক্ত করে দুর্বলতাগুলো দূর করার চেষ্টা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat