×
ব্রেকিং নিউজ :
তারেক রহমান কোনো একক দলের নন, বাংলাদেশের নেতা : আবদুস সালাম নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সব ধরনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে : জামায়াত আমির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে আচরণবিধি প্রতিপালনের নির্দেশ ইসির বিএনপি কাজে বিশ্বাস করে, সমালোচনায় নয়: মির্জা ফখরুল তারেক রহমানকে ‘সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী’ আখ্যা দিয়েছে দ্য ডিপ্লোম্যাট উইন্ডসর ছাড়লেন ব্রিটেনের সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রু : বিবিসি নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করলো মার্কিন সামরিক বাহিনী গাদ্দাফি পুত্র সাইফ আল ইসলাম নিহত
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৩-২২
  • ৮২৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

সিয়াম-সাধনার এই মাসে ইবাদত-বন্দেগীর ফজিলত তুলনামূলক বেশি। কিন্তু আপনি চাইলেই কাঙ্ক্ষিত ইবাদত করতে পারবেন না, যদি শারীরিকভাবে সুস্থ না থাকেন।
এমনকি রমজানের শুরু থেকে জীবনযাপনে সচেতন না হলে ভালো স্বাস্থ্যও খারাপের দিকে যেতে পারে। জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো, আমরা যা খাই। সেহরিতে যেমন তেমন খাবার খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি আছে, যা দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি ইবাদতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সুতরাং সেহরিতে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে সচেতন থাকুন।
* সেহরিতে সামর্থ্য অনুযায়ী আঁশ জাতীয় খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন (লাল চাল, লাল আটা, শাকসবজি, বিচি জাতীয় শস্য-সিমের বিচি, মটরশুটি ইত্যাদি)। আশ জাতীয় খাবার ধীরে হজম হয়, ফলে ক্ষুধা অনুভব কম হয় এবং পর্যাপ্ত শক্তি পাওয়া যায়।
* সেহরিতে বেশি খাওয়ার মানসিকতা পরিহার করতে হবে। ভাতের পরিমাণ কমিয়ে শাকসবজি এবং মাছ-মাংস ও অন্যান্য তরকারি খাওয়া উচিত হবে।
* প্রতিদিনের আমিষের চাহিদা পূরণে ও দেহের ক্ষয়পূরণে ছোট-বড় মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
* রোজায় পানিশূন্যতা রোধে সহজে হজম হয় এমন শাকসবজি লাউ, রিঙে, পটল, চিচিঙ্গা, চামকুমড়া প্রভৃতিকে অগ্রাধিকার দিতে পারেন।
* সেহরিতে চা এবং কফি পান না করাই ভালো। এগুলোতে থাকা ক্যাফেইন তৃষ্ণার সৃষ্টি করে, অ্যাসিডিটি উৎপন্ন করে এবং খাদ্যের পুষ্টি পরিশোষণে বাধা দেয়।
* সেহরিতে অতিরিক্ত তেল, মসলা ও চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।
* তেহারি, খিচুরি, বিরিয়ানি প্রভৃতি সেহরিতে না খাওয়াই ভালো। এসব খাবার হজম করতে দেহে প্রচুর পানি পরিশোষিত হয়, যা তৃষ্ণা বাড়িয়ে দেয়।
* সেহরিতে অতি লবণাক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ মাত্রায় লবণ খেলে পিপাসা বেড়ে যায়।
* দেহের পানির চাহিদা পূরণে ইফতার এবং সেহরির মাঝের সময়ে ২.৫ - ৩ লিটার বা ৬ থেকে ১৮ গ্লাস নিরাপদ পানি পান করতে হবে। রোজায় পর্যাপ্ত পানি পান করলে মাথাব্যথা, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়েও সহায়ক হবে।
তথ্যসূত্র: বারটান

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat