×
ব্রেকিং নিউজ :
দাঁড়িপাল্লা কেবল একটি প্রতীক নয়, এটি ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার: ড. মাসুদ তারেক রহমানের সফর উপলক্ষে রংপুরবাসীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কুড়িগ্রামে পোস্টাল ব্যালট বাক্সের লক উদ্বোধন, ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোটগ্রহণ দিনাজপুরে ৬টি আসনে ৩৭ প্লাটুন বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং মোতায়ন ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১২-০১
  • ২৩৪৩৫৯৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সম্প্রতি বাবা হারিয়েছেন বলিউড ও দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের নন্দিত অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। এ খবর এখন অনেকেরই জানা। বাবা হারানোর পর এই অভিনেত্রী তার বাবা জোসেফ প্রভুকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এমন কিছু কথা তুলে এনেছেন, যা অনেকের অজানা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রয়াত বাবার স্মৃতিচারণ করে সামান্থা বলেছেন, এক সময় বাবার সঙ্গে তার সম্পর্ক বেশ জটিল হয়ে পড়েছিল। বাবা ছিলেন অ্যাংলো ইন্ডিয়ান। তার চিন্তাধারা, চলাফেরা, পরিবারের সদস্যদের ওপর নজরদারি- সবকিছুই ছিল অধিকাংশ ভারতীয় বাবার মতো। যারা ভাবতেন সন্তানকে সুরক্ষা দেওয়াই তাদের প্রধান কাজ। এরপরও বেড়ে ওঠার সময়টাতে আবিষ্কার করেন, সহপাঠীদের বাবার চেয়ে কোনো একটা কারণে তিনি কিছুটা অন্যরকম। সেই পার্থক্যটা খুঁজে বের করতে পারেননি তখন। যে কোনো কাজ করলে তার স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকতেন সামান্থা। অন্যের অনুমোদন ও স্বীকৃতি পাওয়ার অপেক্ষাতেই কেটে যেত একেকটি দিন। বড় হওয়ার পরও তার বাবা তাকে যথেষ্ট স্বাবলম্বী মনে করতেন না।
তিনি ভাবতেন, যে কোনো কাজেই তার সাহায্যের প্রয়োজন হবে। বাবার এ ধারণা দিন দিন সামান্থাকে আরও দুর্বল করে তুলেছিল। বাবা তাকে বলতেন, ‘তুমি খুব একটা স্মার্ট নও। হবেই বা কীভাবে, ভারতীয় শিক্ষাই তোমাকে এমন করে তুলেছে।’
সামান্থা বলেন, ‘বাবার এই কথা মনের মধ্যে এমনভাবে গেঁথে গিয়েছিল যে, বিশ্বাস করা শুরু করেছিলাম, আমি সত্যিই স্মার্ট নই। যে জন্য অভিনয় জগতে পা রেখেও স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারিনি। এই ধ্যান-ধারণাই জন্যই হীনমন্যতায় ভুগতাম। সিনেমা সফল হওয়ার পরও ভাবতাম, আমি সাফল্য পাওয়ার যোগ্য নই।’
সামান্থার কথায়, ‘সাফল্য দুটি কাজ করতে পারে। প্রথমত, আপনি ভাবতে পারেন, এই সাফল্যই তো আপনার প্রাপ্য ছিল। দ্বিতীয়ত, যে সাফল্য বা ভালোবাসা আপনি পাচ্ছেন, তার যোগ্যই নন আপনি। আমি দ্বিতীয়টা ভাবতাম নিজের সম্পর্কে। শুধু তাই নয়, সাফল্য পাওয়ার পরেও ভয় পেতাম। ভাবতাম, এক দিন সবাই বুঝতে পারবে, আমার কোনো প্রতিভা নেই। আমি স্মার্ট নই। তাই নিজেকে কাজ ও চেহারার দিক থেকে উন্নততর করতে উঠেপড়ে লেগেছিলাম।’
এদিকে বাবা হারানোর শোকে সামান্থা যখন কাতর, ঠিক তখনই বিয়ের বাদ্য বাজতে শুরু করেছে এই অভিনেত্রীর সাবেক স্বামী অভিনেতা নাগা চৈতন্যের বাড়িতে। আগামী ৪ ডিসেম্বর অভিনেত্রী শোভিতা ধুলিপালার সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন তিনি। এরই মধ্যে তাদের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat