×
ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০২-২০
  • ৬৫৭৬৮৮৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ শুক্রবার প্রথমবার নিজ নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম সফরে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাজেট আর কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে খুশি করার জন্য তৈরি হবে না। ভবিষ্যতের বাজেট হবে শুধু জনগণের কল্যাণে, যাতে সাধারণ মানুষ সুবিধা পায়।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ শুক্রবার প্রথমবার নিজ নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম সফরে এসে এই মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান। সেখানে নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। এরপর নগরের পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলীর নাজির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন। 

সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘কোনো পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি আর চলবে না। বাজেট হবে জনবান্ধব। বিগত আমলে ঋণ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু তা কোনো ভালো প্রজেক্টে ব্যয় হয়নি। ফলে এই সরকারের ওপর বিশাল ঋণের বোঝা রয়েছে।’

অর্থমন্ত্রী শেয়ার বাজারের অবস্থা নিয়েও বলেন, ‘শেয়ার বাজার নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। তা বাস্তবায়ন হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, আস্থা ফিরে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে। এখানে বিনিয়োগের অনেক বড় ব্যাপার আছে, সেদিকে আমাদের যেতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও উন্নততর করতে হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তো বাণিজ্যিক রাজধানী হবে।’

কর্মসংস্থান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কর্মসংস্থান। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।’

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চট্টগ্রাম সফরের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভালো লাগছে। আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি। নির্বাচিত সংসদ ও সরকার আছে। দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খা পূরণে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।’

বেলা আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত নগরের মেহেদিবাগে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করবেন। বিকেল তিনটায় চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার জন্য বন্দর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। রাত ৮টা ২৫ মিনিটে তিনি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat