×
ব্রেকিং নিউজ :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ ‍মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন ডা. জুবাইদা ও জাইমা রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি জামায়াত আমিরের শ্রদ্ধা ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন আজ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ পরিচালনায় সবার সহযোগিতা চাইলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব : চসিক মেয়র দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার নিজ নির্বাচনী এলাকায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী সিলেটে বিভিন্ন কর্মসূচিতে যৌথভাবে দুই মন্ত্রীর অংশগ্রহণ বরগুনায় তিনদিন ব্যাপী বইমেলা
  • প্রকাশিত : ২০২৬-০২-২১
  • ৬৭৬৬৬৭০২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এই দিনে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর তৎকালীন পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সালাম, বরকত, রফিক, শফিউর, জব্বারসহ অনেকে। তাদের আত্মত্যাগের স্মৃতিতেই দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাত ১২টা ৪০ মিনিট থেকে সর্বসাধারণের জন্য শহীদ মিনার উন্মুক্ত থাকবে।
দিবসটি ঘিরে রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবে ঢাকা মহানগর পুলিশ-এর প্রায় ১৫ হাজার সদস্য। পুলিশের পাশাপাশি দেশজুড়ে দায়িত্ব পালন করবে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।
ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয় তৎকালীন পূর্ব বাংলার রাজধানী ঢাকায় ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে। ১৯৪৮ সালের মার্চে তা সীমিত আকারে বিস্তার লাভ করে এবং ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি এর চূড়ান্ত রূপ নেয়। সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষার্থীরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বের করলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে কয়েকজন ছাত্র শহীদ হন। পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ মানুষও রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানায় এবং মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে গায়েবি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
ভাষা শহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখতে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতারাতি একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হলেও ২৬ ফেব্রুয়ারি তা গুঁড়িয়ে দেয় সরকার। তবে এ ঘটনার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন আরও বেগবান হয়।
পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের পর ৭ মে গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি সংবিধানে সংশোধন এনে বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করা হয়। পরে ১৯৮৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন বিল’ পাস হয় এবং একই বছরের ৮ মার্চ থেকে তা কার্যকর করা হয়।
বাংলা ভাষা আন্দোলনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আসে ২০১০ সালে, যখন জাতিসংঘ প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat