×
ব্রেকিং নিউজ :
রাজধানীর ভাষানটেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ডা. জুবাইদা রহমান বিএনপির কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে এবার আপিল বিভাগে নাহিদ কারাদণ্ডের বদলে জরিমানার বিধান রেখে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ জারি মৎস্যসম্পদ নিয়ে যে কাজ করি, তা আমাদের সামগ্রিক জীবনবোধের অংশ : মৎস্য উপদেষ্টা ভোটকেন্দ্র ও ভোটার তথ্য জানা যাবে ৪ উপায়ে : ইসি জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি, জোট সরকার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টকে হত্যার হুমকির অভিযোগে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার : প্রেস সচিব রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিড ক্ষতিগ্রস্ত জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ কিউবার
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৪-০৮
  • ৬০৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ছেলেকে ২০ বছর বন্দী করে রাখলেন বাবা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:- কাঠের খাঁচায় নিজের ছেলেকে আটকে রাখার অভিযোগে ৭৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে আটক করেছে জাপানের পুলিশ। দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের কর্মকর্তাদের কাছে অভিযুক্ত ইয়োশিতানে ইয়ামাসাকি জানিয়েছেন, মানসিক সমস্যা দেখা দেয়ায় তার ছেলে মাঝেমধ্যে হিংস্র আচরণ করতো। সে কারণেই তিনি নিজের ছেলেকে আটকে রাখেন। এখন তার ছেলের বয়স ৪২ বছর।
ইয়ামাসাকি যে খাঁচায় তার ছেলেকে আটকে রাখেন সেটি উচ্চতায় ১মিটার ও চওড়ায় ২ মিটারের কম। খাঁচাটি সান্ডা শহরে ইয়ামাসাকির বাসার পাশে রাখা থাকতো। তার ছেলে বর্তমানে শহরের কর্তৃপক্ষের কাছে রয়েছে। দীর্ঘদিন খাঁচায় বন্দী থাকার কারণে তিনি পিঠের সমস্যায় ভুগছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে পশ্চিম জাপানের সমাজ কল্যাণ বিভাগের তদারকিতে রয়েছেন তিনি। সান্ডা শহর কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা ইয়ামাসাকির বাসায় দেখা করতে গেলে কর্তৃপক্ষ ৪২ বছর বয়সী ছেলেকে বন্দী থাকার ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারে। তদন্তকারীরা মনে করছেন ইয়ামাসাকি তার মানসিকভাবে অসুস্থ ছেলেকে ১৬ বছর বয়স থেকেই বন্দী করে রাখা শুরু করে। ওই সময় থেকে তার মধ্যে মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ প্রকাশ হওয়া শুরু করে। আপাতত ছেলেকে ১৮ জানুয়ারি ৩৬ ঘন্টা আটকে রাখার দায়ে অবসর ভাতায় জীবনযাপন করা ইয়ামাসাকিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ইয়ামাসাকি তার নামে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছেন। তিনি কর্তৃপক্ষকে বলেছেন যে, তার ছেলেকে তিনি প্রতিদিন খাবার দিয়েছেন ও গোসল করার সুযোগও দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat