×
ব্রেকিং নিউজ :
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক হলেন ডা. নুরুল ইসলাম সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত এমপির বিষয়ে সংসদের রেফারেন্স পেলেই ব্যবস্থা: নির্বাচন কমিশনার নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী শ্রীলঙ্কায় তীব্র খরা ও ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা ম্যানিলায় আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামে খলিলুর-জয়শঙ্কর শুভেচ্ছা বিনিময় চাদে কূপের দখল নিয়ে বাড়ছে প্রাণঘাতী সংঘাত ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ না বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রকে রুশ সতর্কতা দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৩-১৯
  • ৫৭৩৫৯ বার পঠিত
  • আলমাহমুদ-ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট-সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন ইফতারির জন্য হরেক রকম মুখরোচক সুস্বাদু খাবার তৈরি করছে দোকানিরা । মুখরোচক সুস্বাদু খাবারের মধ্যে রয়েছে ঘোল, দৈই, পিয়াজু, বেগুনি, সোলা, বোন্দা, নিমকি, চানাচুর ইত্যাদি ।  ইফতারিতে সলপের বিক্ষ্যাত ঘোল না হলেই রোজাদারদের চলে না । ইফতারির পর ঘোল খেয়ে সারাদিনের ক্লান্তি দুর করেন রোজাদাররা । তাই ঘোলের চাহিদা উল্লাপাড়ায় বেশী । এ রমজান উপলক্ষে প্রতিদিন ৮ শত থেকে ১ হাজার মন ঘোল বিক্রয় হচ্ছে । রমজান ছাড়াও সাড়া বছর ৫০ থেকে ৬০ মন ঘোল বিক্রি হয়ে থাকে ।  এই বিশাল ঘোলের চাহিদা মিটানোর জন্য সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার সলপ রেল স্টেশন ঘেঁসে রমজান উপলক্ষে গরে উঠেছে প্রায় ১০ ঘোল উৎপাদন কারখানা ৷ এখান থেকেই সারা উপজেলা সহ দেশের অন্যান্য জেলার ঘোলের চাহিদা মিটানো হয় । 
এ খামারিরা প্রতিদিন ভোরে গ্রামের দুগ্ধখামারদের কাছ থেকে ৪০ থেকে ৪৪ টাকা কেজি দরে দুধ ক্রয় করছে । সেই দুধ কারখানায় নিয়ে এসে তা বিরতিহীনভাবে তিন-চার ঘণ্টা জ্বাল দিয়ে একটা পাত্রে রেখে দেওয়া হয় । তারপর সেই দুধ জমে গেলে তাতে চিনি ও অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে তৈরি করা হয় সুস্বাদু ঘোল । প্রতি কেজি এ ঘোল বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কিজি দরে । যা দুধের চেয়ে ঘোলের দাম দ্বিগুণ বেশী । 
দুধের চেয়ে ঘোলের দাম বেশী হলেও ক্রেতার কমতি নেই । সকাল হলেই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা এসে লাইন দাড়ান লোভনীয় এ ভোগ্যপণ্যটি ক্রয় করার জন্য । 
ঘোল ক্রেতা আব্দুল আলিম জানান, সারাদিন রোজা থেকে শরীরের ক্লান্তি দুর করার জন্য ইফতারির সাথে ঘোল দরকার । তাই ঘোল কিনতে এসেছি । তবে দুধের চেয়ে ঘোলের দাম দ্বিগুণ । 
কথা হয় ঘোল উৎপাদনকারী আব্দুল মালেকের সাথে । তিনি জানান, সারাদেশে সলপের ঘোলের বেশ সুনাম রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ সলপে আসেন ঘোলের স্বাদ নিতে । সারা বছরই এখানে ক্রেতাদের আনাগোনা থাকে । তবে রমজান মাসে সলপের ঘোলের চাহিদা অনেক বেড়ে যায় । রমজানের আগে যেখানে ঘোলের চাহিদা ছিলো ৫০ থেকে ৬০ মন । বর্তমানে এর চাহিদা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ শত থেকে ১ হাজার মন । তিনি আরো জানান, সলপে ১০ জন ঘোল উৎপাদনকারী রয়েছে । আমরা ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী ঘোল উৎপাদন করতে পারছি না । দুধের সংকট রয়েছে।  দূরদূরান্ত থেকে পাইকার ও খুচরা ক্রেতারা আসেন ঘোল কিনতে । আমরা সলপের ঘোলের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সর্বক্ষণ সচেষ্ট রয়েছি । আশা করছি সলপের ঘোলের সুনাম দেশজুড়ে আরও ছডিয়ে পড়বে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat