×
ব্রেকিং নিউজ :
উৎসবমুখর পরিবেশে সারাদেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন : গণনার প্রস্তুতি চলছে যমুনা থেকে ভোটদান চিত্র পর্যবেক্ষণ প্রধান উপদেষ্টার এবারের ঐতিহাসিক নির্বাচন জাতির কাছে উদাহরণ হয়ে থাকবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ঝালকাঠিতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় ৮ জনকে জরিমানা ভোট দিতে পেরে চট্টগ্রামের তরুণ ভোটারদের উচ্ছ্বাস, প্রবীণদের স্বস্তি জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে : ফারুক-ই-আজম ভোটারদের ইতিবাচক উৎসাহ ও অংশগ্রহণ লক্ষ্য করেছে ইইউ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট প্রদান করছে : তথ্য উপদেষ্টা দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট প্রদানের হার ৩২.৮৮ শতাংশ : ইসি সচিব সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা : মৎস্য উপদেষ্টা
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৪-২৯
  • ২৩৪৫৮১৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
জমি-জমার বিরোধকে কেন্দ্র করে পূর্ব শক্রতার জের ধরে কৃষক আব্দুর রহমান হত্যা মামলায় ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন বিচারক।
আজ সোমবার দুপুরে জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোঃ নুরুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন।
জয়পুরহাট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল জানান, সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দা গ্রামের কফিল উদ্দীনের পুত্র মোঃ আলাম ও কালাম, আব্দুস ছাত্তারের পুত্র মোঃ দোলা, ওসমান ও কোরবান, আব্দুল গফুরের পুত্র আজাদুল ও সাইদুল ইসলাম, খলিল আকন্দের পুত্র মোঃ লাবু, বাবু ও আমিনুর রহমান, বিরাজ উদ্দীনের পুত্র ফারাজ মন্ডল, সুন্নত আলীর পুত্র মোঃ শুকটু, নায়েব আলীর পুত্র মোঃ উকিল, ভরসা মন্ডলের পুত্র দুলাল হোসেন ও সানোয়ার, আলতাফ আলীর পুত্র আলীম হোসেন ও নজরুল ইসলাম, আব্দুস ছাত্তার প্রধানের পুত্র সাইফুল ইসলাম, সলেমান আকন্দের পুত্র জহুরুল ইসলাম।
দন্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে উকিল মিয়া ও জহুরুল ইসলাম এ মামলায় জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন বলে জানায় আদালত।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালের ২২ নভেম্বর রাতে জেলার পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দা গ্রামের সামছদ্দীন মুন্সির ছেলে আব্দুর রহমানকে হরেন্দা গ্রামের মাঠ থেকে ধরে নিয়ে আসে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা। আব্দুর রহমানকে আসামি কালামের বাড়ির একটি কক্ষে আটকে রেখে প্রচন্ড মারপিট করে। রাতে সেখানেই আব্দুর রহমান মারা যান। এ ঘটনায় নিহত আব্দুর রহমানের ভাই আব্দুল বারিক মুন্সি ওরফে ফারুক বাদি হয়ে পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা করেন।
পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে ২০০৪ সালের ২৫ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারে ১৬ জনের সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিচারক আজ সোমবার এ রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এ্যাডঃ নৃপেন্দ্রনাথ সন্ডল পিপি ও এপিপি উদয় সিংহ এবং আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এ্যাডঃ মোস্তাফিজুর রহমান, শাহজালাল সিদ্দিকী তুহিন ও সোহেলী পারভীন সাথী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat