×
ব্রেকিং নিউজ :
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি : যা জানা গেছে গ্রামীণ চিকিৎসা সেবায় ‘পল্লী ডাক্তার’ মডেল চালুর উদ্যোগ ইরান ইউরেনিয়াম না দিলে যুক্তরাষ্ট্র ‘জোর করে নেবে’: হেগসেথ সংসদে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা বিল পাস উপসাগরীয় অঞ্চল সফরে স্টারমার ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুক্রবার ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত বিজয়’: ট্রাম্প হাভার্টজের শেষ মুহূর্তের গোলে স্পোর্টিংকে হারিয়ে এগিয়ে গেল আর্সেনাল বিজয়ের সঙ্গে পরকীয়ার গুঞ্জনের মধ্যে এলো ব্যবসায়ীর সঙ্গে তৃষার বিয়ের খবর
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৮-২১
  • ৪৬৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ক্রিকেটের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আবেগ আমাকে আকৃষ্ট করেছে : ডোমিঙ্গো

 ক্রিকেটের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের প্রবল আবেগ ও ভালবাসা রাসেল ডোমিঙ্গোকে এতটাই আকৃষ্ট করেছে যে, এ দেশকে নিজের বাড়ি হিসেবে মেনে নিতে এক সেকেন্ডও সময় নেননি।
জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে ডোমিঙ্গোর নাম ঘোাষণাকালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছিলেন, টাইগার দলের তদারকি করার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকানের উৎসাহই বাছাইয়ে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রেখেছে।
পাপনের বক্তব্যে কারো সন্দেহ থাকলেও , বাংলাদেশী গণমাধ্যমের সঙ্গে নবনিযুক্ত কোচ ডোমিঙ্গোর প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যের পর আর সেটা থাকবে না।
দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এ কোচ বলেন, ক্রিকেটের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের প্রবল আবেগ তিনি দেখেছেন মূলত সেটিই তাকে এখানে আসতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
বাঙালি কতটা ক্রিকেট পাগল জাতি ডোমিঙ্গো তার প্রমাণ পান ২০০৪ সালে প্রথমবার বাংলাদেশ সফরে। এরপর আরো ছয়বার তিনি বাংলাদেশ সফর করেন এবং প্রতিবারই ক্রিকেটের প্রতি বাংলাদেশী জনগণের আবেগের প্রমাণ পান।
ডোমিঙ্গোর নিজের ভাষায়, বিশ্বের কোথাও তিনি ক্রিকেট নিয়ে এক উন্মাদনা দেখেননি এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় এমনটা কল্পনারও বাইরে।
সংবাদ সম্মেলনে আজ ডোমিঙ্গো বলেন, ‘এই নিয়ে সপ্তমবার আমি বাংলাদেশে এলাম। প্রথমবার এসেছিলাম ২০০৪ সালে অনুর্ধ-১৯ বিশ্বকাপে, আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর আগে।’
‘বাংলাদেশের জনগণ ক্রিকেটকে কতটা ভালবাসে- প্রতিবারই আমি একই চিত্র দেখেছি। আপনি দক্ষিণ আফ্রিকায় দেখবে একটা সংবাদ সম্মেলনে বড় জোড় আট থেকে নয় জন সাংবাদিক উপস্থিত থাকে। আমার জীবনে একটা সংবাদ সম্মেলনে আমি কখনো এত সাংবাদিক দেখিনি। আমি বিমান বন্দরে নেমে এত বেশি সাংবাদিক দেখেছি, যা সত্যিই অবিশ্বাস্য’ উল্লেখ করেন তিনি।
সবশেষে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটর প্রতি বাংলাদেশের মানুষেল এই যে আবেগ এটা আমি সব সময় লক্ষ্য করেছি। আপনি দেখেছেন মাঠে বাঘের পোশাক পড়া দর্শকের উপস্থিতি সব সময় অবশ্যই দলের সমর্থনের জন্য অনেক বড় ফ্যাক্টর। সম্ভবত এটাই আমাকে এখানে আসতে অনুপ্রাণীত করেছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat