সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় সরকারি নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে ইট ভাটায় কয়লার পরিবর্তে ইটভাটায় পোড়ানো হচ্ছে কাঠ খড়ি। এভাবে ইটভাটা গুলোতে কাঠ খড়ি দিয়ে ইট পোড়ালে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটবে।
উপজেলার কয়ড়া ইউনিয়নের দাদপুর গ্রামের ফসলি মাঠের মধ্যে গড়ে উঠা এইচ এন্ড কে নামের এই ইটভাটায় কাঠ খড়ি দিয়ে ইট পোড়ানো হচ্ছে । ইট ভাটার মুল ক্লেন এর পাশেই বিপুল পরিমাণ কাঠ খড়ি ট্যাক দিয়ে রাখা হয়েছে । শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কয়েক জন শ্রমিক বড় আকারের কাঠের গুলগুলো চেড়াই করছে। এলাকা বাসির অভিযোগ ওই ইট ভাটার মালিক এবারের মৌসুমের শুরু থেকেই ইট পোড়াতে কাঠ খড়ি ব্যবহার করছেন। এ ছাড়াও ইট ভাটাটি ফসলি জমির মাঠে হওয়ায় ভাটার পার্শ^বর্তী জমিগুলোর ফসল ব্যাপক হারে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ভাটার মালিক মোঃ আব্দুল কালাম বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে কাঠ খড়ি সংগ্রহ করছে বলে জানা গেছে।ওই ইট ভাটার মালিক মোঃ আব্দুল কালাম মিয়া বলেন ইট ভাটায় কাঠ খড়ি পোড়ানো সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তা জানি, কাঠে খরচ কম হয় তাই পোড়াচ্ছি।
কাঠ পোড়ানো নিষেধাজ্ঞা আছে জেনেও তিনি আইনের প্রতি তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে ইট পোড়ানোর কাজে দেদারছে কাঠ খড়ি ব্যবহার করছেন । উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুজ্জামান জানান ইট ভাটায় ইট পোড়ানোর কাজে কাঠ খড়ি ব্যবহার সরকারি ভাবে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বিষয়টি সরেজমিনে দেখে আইনানুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।