×
ব্রেকিং নিউজ :
প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মোদি : প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম পেঁয়াজ সংরক্ষণে ১৫ হাজার এয়ার ফ্লো মেশিন দেওয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী সার্জিও গরের সফরে ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে : শামা ওবায়েদ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মিথ্যা ফেসবুক পোস্টের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় আবারও মিথ্যা পোস্ট ও মামলা প্রত্যাহারের হুমকি মন্ত্রিসপরিষদ বৈঠকে বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন আসিয়ান ও আরসিইপি প্রত্যাশা পূরণে সিঙ্গাপুরের সমর্থন চাইলেন খলিলুর মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেশসেবায় আত্মনিয়োগের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের পিরোজপুরে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ বাজেটের সফল বাস্তবায়নেই প্রকৃত সার্থকতা: অর্থমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২০-০২-০৩
  • ৫২৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দেয়ার নির্দেশ

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের ফল ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছেন।
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচন বিধিমালা ২০১০-এর বিধি ৪৯ এর উপবিধি (১) অনুযায়ী, নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে প্রার্থীর ব্যক্তিগত খরচের হিসাব ও পরিশোধের বর্ণনা সম্বলিত একটি বিবরণী ইসিতে জমা দেয়ার বিধান রয়েছে।এই নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের ‘ব্যক্তিগত খরচ’ ও ‘নির্বাচনী খরচ’ মিলে সর্বোচ্চ ৭ লাখ টাকা খরচ করার বিধান রয়েছে।ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩০ লাখ ১০ হাজার ২৭৩ জন এবং দক্ষিণে ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৪ জন।নির্বাচনী ব্যয় সীমার বিধি অনুযায়ী, ২০ লাখ ভোটার হলে ১ লাখ এবং এর বেশি ভোটার সম্বলিত সিটিতে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা ‘ব্যক্তিগত খরচ’ করতে পারবেন একজন প্রার্থী।দুই সিটিতে সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ৭৭ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৫১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী নির্বাচনের উদ্দেশ্যে ‘ব্যক্তিগত ব্যয়ের’ ক্ষেত্রে অনধিক ১৫ হাজার ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ হাজার, ১৫ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ হাজার, ৩০ হাজার ১ থেকে ৫০ হাজার ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার এবং ৫০ হাজার ১ ও তার বেশি ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা খরচ করতে পারবেন প্রার্থীরা।নির্বাচনী ব্যয়ের ক্ষেত্রে অনধিক ১৫ হাজার ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১ লাখ, ১৫ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ লাখ, ৩০ হাজার ১ থেকে ৫০ হাজার ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৪ লাখ এবং ৫০ হাজার ১ ও তার বেশি ভোটার সম্বলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা ‘নির্বাচনী ব্যয়’ করতে পারবেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat