×
ব্রেকিং নিউজ :
তারেক রহমান কোনো একক দলের নন, বাংলাদেশের নেতা : আবদুস সালাম নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সব ধরনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে : জামায়াত আমির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে আচরণবিধি প্রতিপালনের নির্দেশ ইসির বিএনপি কাজে বিশ্বাস করে, সমালোচনায় নয়: মির্জা ফখরুল তারেক রহমানকে ‘সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী’ আখ্যা দিয়েছে দ্য ডিপ্লোম্যাট উইন্ডসর ছাড়লেন ব্রিটেনের সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রু : বিবিসি নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করলো মার্কিন সামরিক বাহিনী গাদ্দাফি পুত্র সাইফ আল ইসলাম নিহত
  • প্রকাশিত : ২০২২-০২-১৩
  • ৬৭০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, পরিবেশ, বন, বন্যপ্রাণি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্য নিয়েই লাঠিটিলায় সাফারি পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে। 
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে যাচাই বাছাই ও গবেষণার করে লাঠিটিলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
মন্ত্রী আরও বলেন, এ সাফারি পার্কটি নির্মিত হলে লাঠিটিলা বনাঞ্চল অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে রক্ষা পাবে এবং বন সংরক্ষিত থাকবে।
শাহাব উদ্দিন আজ রাজধানীর বন অধিদপ্তরে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলায় প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক স্থাপনের লক্ষ্যে প্রণীত  মহাপরিকল্পনা ও ডিপিপি অনুমোদনের লক্ষ্যে আয়োজিত এক জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সাফারি পার্ক স্থাপনের লক্ষ্যে প্রণীত মহাপরিকল্পনা কর্মশালায় উত্থাপিত প্রস্তাবসমুহ অন্তর্ভূক্তি সাপেক্ষে অনুমোদন করেন বনমন্ত্রী।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, সাফারিপার্ক এলাকায় বসবাসরত মানুষের ঐক্যমত এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের মতামত বিবেচনায় নিয়ে এই সাফারি পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতঃপূর্বে নির্মিত দু’টি সাফারি পার্কের অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগানো হবে। যাতে আর কোনও বন্যপ্রাণির মৃত্যু না হয়। 
তিনি বলেন,  দেশের বিভিন্ন এলাকা ও বিদেশ থেকে আসা পর্যটকরা এ সাফারি পার্কে এসে বিভিন্ন ধরনের দেশি-বিদেশি প্রাণির বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে পারবে। 
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সরকারি এ বনভূমির অভ্যন্তরে অবৈধভাবে বসবাসরত পরিবারগুলোর মধ্যে ৩৭টি পরিবারকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।
প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, সচিব মো. মোস্তফা কামাল, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন এবং অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) সঞ্জয় কুমার ভৌমিক প্রমুখ। 
সাফারি পার্কের মহাপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক স্থপতি ইশতিয়াক জহির এবং প্রকল্প পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী। 
এছাড়া, এতে বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থার প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।
প্রস্তাবিত মহাপরিকল্পনায় সাফারি পার্কের মোট আয়তন ৫ হাজার ৬৩১ একর, যার মধ্যে মূল সাফারি পার্কের আয়তন ২৭০ একর।
৮৭০ কোটি ৯০ লাখ  টাকা ব্যয়ে ২০২২-২৬ সালের মধ্যে সাফারি পার্কটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat