×
ব্রেকিং নিউজ :
তারেক রহমান কোনো একক দলের নন, বাংলাদেশের নেতা : আবদুস সালাম নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সব ধরনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে : জামায়াত আমির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে আচরণবিধি প্রতিপালনের নির্দেশ ইসির বিএনপি কাজে বিশ্বাস করে, সমালোচনায় নয়: মির্জা ফখরুল তারেক রহমানকে ‘সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী’ আখ্যা দিয়েছে দ্য ডিপ্লোম্যাট উইন্ডসর ছাড়লেন ব্রিটেনের সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রু : বিবিসি নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করলো মার্কিন সামরিক বাহিনী গাদ্দাফি পুত্র সাইফ আল ইসলাম নিহত
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৩-০৩
  • ৪৭৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

 ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার শিশু-বান্ধব সরকার। জাতির পিতার ন্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও শিশুদের খুবই ভালোবাসেন। তিনি শিশুদের কল্যাণে জাতীয় শিশুনীতি-২০১১, শিশু আইন-২০১৩, শিক্ষানীতি-২০১০, স্বাস্থ্যনীতি, শিশুশ্রম আইন, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭ ইত্যাদি আইন ও নীতিমালা তৈরি করেছেন।
আজ ঢাকার সিবিসিবি সেন্টারে বাংলাদেশে ওয়ার্ল্ড ভিশনের ‘উন্নয়ন অগ্রযাত্রার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন এবং শিশুদের কল্যাণে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ভূমিকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সিনিয়র ডিরেক্টর চন্দন জেড গমেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মাওলানা আনিছুজ্জামান শিকদার, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিরেক্টর সুরেশ বার্টলেট, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা মুফতি মিজানুর রহমান, খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব নির্মল রোজারিও, সবুজবাগ আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার, ঢাকার  ভিক্ষু সুনেন্দ্রামিত্রা থের, রামকৃষ্ণ মঠ ঢাকার স্বামী দেবাধ্যনান্দ, ন্যাশনাল কাউন্সিল অব চার্চ ইন বাংলাদেশের সভাপতি বিশপ স্যামুয়েল এস মানকিন, ন্যাশনাল চার্চেস ফেলোশীপ অব বাংলাদেশের বিশপ ড. আরবার্ট  পি মৃধা।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ মানুষের কল্যাণে বিশেষ করে শিশুদের উন্নয়নে গত ৫০ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে। শিশু শিক্ষা, শিশু সুরক্ষা ও নিরাপত্তা, শিশু স্বাস্থ্য, শিশু পুষ্টি, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিশুশ্রম কমিয়ে আনা, জেন্ডার সমতা, নারীর ক্ষমতায়ন, এলাকার দুস্থ, অবহেলিত, প্রতিবন্ধী মানুষ সকলের কল্যাণের জন্যে অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। বেশিরভাগ কাজে তারা সফলভাবে বিভিন্ন ধর্মের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গকে সম্পৃক্ত করেছে, যা সকলের কাছে প্রশংসিত হয়েছে এবং যা সমাজের কুপ্রথা দূরীকরণে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat