×
ব্রেকিং নিউজ :
জাতির পিতার সমাধিতে রাজউক চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধা সিলেটের আদালত পাড়ায় ন্যায়কুঞ্জের উদ্বোধন করলেন প্রধান বিচারপতি আইপিডিআই ফাউন্ডেশন হৃদরোগের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে : স্পিকার শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের মাধ্যমেই আওয়ামী লীগের জন্ম : শেখ পরশ বিএনপির হাতে শ্রমিকের রক্তের দাগ : ওবায়দুল কাদের আগামীকাল শুরু হচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শিক্ষকরাই আগামী দিনের স্মার্ট নাগরিক গড়ার কারিগর : শিল্পমন্ত্রী নির্বাচনের প্রস্তুতি ও প্রচারণা দেখতে আওয়ামী লীগকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে বিজেপি গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হবে : পরিবেশমন্ত্রী বাংলাদেশ-সৌদির যৌথ উদ্যোগে ইউরিয়া সার কারখানার সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন
  • প্রকাশিত : ২০২৩-১০-১০
  • ৭০৬৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো: শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ মানেই পাগল নয়। আমাদের পাঁচটি মৌলিক অধিকার সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যও অন্যতম। সুতরাং  প্রত্যেক মানুষের শরীর ও মনের সুস্থতা জরুরি। 
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শোভাযাত্রা পূর্বক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিএসএমএম উপাচার্য এ কথা জানান।
আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের উদ্যোগে শেখ রাসেল ফোয়ারার সামনে থেকে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ‘মানসিক স্বাস্থ্য সার্বজনীন অধিকার’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে এক শোভাযাত্রা বের হয়।
উপাচার্য বলেন, বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের মূল উদ্দেশ্য জনগণকে সচেতন করা। মনে রাখতে হবে, নো হেলথ ইউথ আউট মেন্টাল হেলথ। 
সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্য বিএসএমএম উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো: শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মানুষের শরীরের যেমন রেস্ট দরকার আছে, তেমন মানুষের হৃদয়-মনেরও রেস্ট দরকার আছে। হৃদয়ে সুখ না থাকলে ও মন খারাপ থাকলে শরীরও খারাপ থাকে। শরীর খারাপ  থাকলে মানুষ কাজ করতে পারবে না। এতে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে। তাই দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি রোধ করতে শরীর ও মনের সুস্থতা জরুরি।’
শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিব্লকের সামনে শেখ রাসেল ফোয়ারা থেকে শুরু হয়ে এ ব্লক, টিএসসি, বেসিক ভবন  প্রদক্ষিণ করে ডি ব্লকে গিয়ে শেষ হয়। 
বিএসএমইউ সূত্র জানায়, মানসিক সমস্যার মূল কারণ দারিদ্র্য, অসমতা, সহিংসতা, বৈষম্য। এসব সমস্যাকে ভয় না পেয়ে বরং মোকাবিলা করতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সময় ব্যায়াম করতে হবে। তবেই মানসিক চাপ থেকে মুক্তি মিলবে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষ নয়, বরং মৌলিক মানবাধিকার। তাই চিকিৎসকরা মনে করছেন, সবারই এই সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার আওতায় এসে নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের যতœ নিতে হবে। ১৯৯২ সালে প্রথমবার এ দিনটি পালন করা শুরু হয়। সেই থেকে প্রতিবছর ১০ অক্টোবর দিনটিকে মানসিক স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে পালন করা হয়। শুরুতে দিবসটির কোনো নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য ছিল না। এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে কথা বলা এবং জনসাধারণকে প্রাসঙ্গিক বিষয়ে শিক্ষিত করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat