×
ব্রেকিং নিউজ :
তারেক রহমান কোনো একক দলের নন, বাংলাদেশের নেতা : আবদুস সালাম নির্বাচনে সংশ্লিষ্টদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সব ধরনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে : জামায়াত আমির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে আচরণবিধি প্রতিপালনের নির্দেশ ইসির বিএনপি কাজে বিশ্বাস করে, সমালোচনায় নয়: মির্জা ফখরুল তারেক রহমানকে ‘সম্ভাব্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী’ আখ্যা দিয়েছে দ্য ডিপ্লোম্যাট উইন্ডসর ছাড়লেন ব্রিটেনের সাবেক প্রিন্স অ্যান্ড্রু : বিবিসি নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা : ইসি মাছউদ ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করলো মার্কিন সামরিক বাহিনী গাদ্দাফি পুত্র সাইফ আল ইসলাম নিহত
  • প্রকাশিত : ২০১৭-০৩-২২
  • ৭০৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
মুফতি হান্নানের ফাঁসি স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ
নিউজ ডেস্ক:- যুদ্ধাপরাধীদের এবার ২০০৪ সালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলার মূল হোতা মুফতি হান্নানের ফাঁসি স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। ব্রিটিশ হাইকমিশনারের উপর হামলার অভিযোগে মুফতি হান্নানসহ দুই জঙ্গি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অপেক্ষা করছে। মঙ্গলবার এইচআরডব্লিউর বিবৃতিতে বলা হয়, অপরাধীদের শাস্তি দেয়ার প্রয়োজন আছে তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে বাংলাদেশ ভুল দিকে যাচ্ছে। নিউইয়র্ক ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটির এশিয়া ডিরেক্টর ব্র্যাড অ্যাডামসের বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের উচিত তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উপর স্থগিতাদেশ দেয়া কারণ এই শাস্তি নিষ্ঠুর ও অপরিবর্তনীয়। তাই অপরাধের ধরণ যেমনই হোক এই শাস্তি প্রয়োগ করা উচিত নয়।২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হজরত শাহজালাল (র) এর মাজারে গেলে গ্রেনেড হামলার শিকার হন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী। হামলায় পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন নিহত হন, আহত হন আনোয়ার চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ অর্ধশতাধিক মানুষ।ওই মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত ৫ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। হাইকোর্ট এবং আপিল বিভাগেও তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। তারা রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করলে সেটাও খারিজ হয়ে যায়।এইচআরডব্লিউ দাবি করে, অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে যে প্রমাণ হাজির করা হয়েছে তা মূলত আসামীর স্বীকারোক্তি। কিন্তু অভিযুক্তরা দাবি করেছে পুলিশি নির্যাতনের মাধ্যমে জোর করে তাদের আদালতের সামনে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হয়। এর আগে যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড দেয়ার সময়ও এর বিরোধিতা করেছিল এইচআরডব্লিউ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat