Logo
×
ব্রেকিং নিউজ :
ডাচ-বাংলার সার্ভার সংযোগ পরিবর্তন করে ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ : গ্রেফতার ৪ রিজার্ভ থেকে ঋণ দিয়ে বাড়তি আয়, মন্দ নয় : অর্থমন্ত্রী নিপুণ রায়কে হাইকোর্টের জামিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে প্রমোশন করোনায় সিলেট বিভাগে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল আলম মন্টুকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সরকার দেশে আন্তর্জাতিক মানের ভ্যাকসিন ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করবে : প্রধানমন্ত্রী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত রাষ্ট্রপতির করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বিএনপি’র মুখে দুর্নীতি বিরোধী বক্তব্য ভুতের মুখে রাম নাম : ওবায়দুল কাদের
  • আপডেট টাইম : 10/06/2021 10:25 PM
  • 7 বার পঠিত

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন ১১৯ জনের শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। আক্রান্তের হার ১৪ দশমিক ৬০ শতাংশ। একই সময়ে সুস্থতা লাভ করেন ৫১৭ জন।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদনে একথা জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গতকাল বুধবার নগরীর সাতটি ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৮১৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন শনাক্তদের মধ্যে শহরের বাসিন্দা ৬২ জন এবং আট উপজেলার ৫৭ জন।
উপজেলায় আক্রান্তদের মধ্যে হাটহাজারীতে সর্বোচ্চ ২৩ জন, ফটিকছড়িতে ১৯ জন, সীতাকু- ও বাঁশখালীতে ৪ জন করে, মিরসরাই, রাউজান ও পটিয়ায় ২ জন করে এবং চন্দনাইশে ১ জন রয়েছেন। ফলে জেলায় মোট সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা এখন ৫৪ হাজার ৪৫৩ জন। এর মধ্যে শহরের ৪৩ হাজার ১৬৫ জন ও গ্রামের ১১ হাজার ২৮৮ জন।
গতকাল চট্টগ্রামে করোনায় গ্রামের ২ জন ও শহরের একজন মারা যান। তিনজনই নারী। ফলে মৃতের সংখ্যা এখন ৬৩৫ জন। এতে শহরের ৪৫১ জন ও গ্রামের ১৮৪ জন। সুস্থতার ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫১৭ জন। মোট আরোগ্য লাভকারীর সংখ্যা বেড়ে ৪৪ হাজার ৬১০ জনে উন্নীত হলো। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ৬ হাজার ১৪ জন এবং হোম আইসোলেশেনে থেকে চিকিৎসায় সুস্থ হন ৩৮ হাজার ৫৯৬ জন। হোম আইসোলেশনে নতুন যুক্ত হন ৫০ জন ও ছাড়পত্র নেন ৩৭ জন। বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ১ হাজার ৯৮ জন।
উল্লেখ্য, গতকাল তিন জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এ মাসের প্রথম নয় দিনে ১৩ করোনা রোগী মারা যান। আক্রান্তের চেয়ে আরোগ্য লাভকারীর সংখ্যা ৪ গুণের বেশি। তবে এ সময়ে করোনামুক্তির ছাড়পত্র পাওয়ার চেয়ে আইসোলেশনে যাওয়া নতুন রোগী বেশি ছিল। সংক্রমণের হারও চলতি জুন মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ৫ জুন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪ হাজার অতিক্রম করার দিনে সংক্রমণের হার ছিল মাসের সর্বনি¤œ, ৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, গতকাল সবচেয়ে বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে। এখানে ৩০৯ জনের নমুনায় শহরের ১০ ও গ্রামের ৪ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস থাকার প্রমাণ মেলে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ১৫৪ জনের নমুনার মধ্যে শহরের ১২ ও গ্রামের ৪০ জন করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১২১ টি নমুনা পরীক্ষায় গ্রামের ৩ টিসহ ১২ টিতে ভাইরাস পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে ৮৩ জনের নমুনার মধ্যে শহরের ১৮ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। নগরীর একমাত্র বিশেষায়িত কোভিড চিকিৎসা কেন্দ্র আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএলে ২৮ টি নমুনায় শহরের ৩ ও গ্রামের ৪ টিতে জীবাণুর অস্তিত্ব মিলে।
নগরীর বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরির মধ্যে ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে গ্রামের একজনসহ ৮ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ১৯ জনের নমুনায় শহরের ৩ জন ও গ্রামের ২ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়।
এছাড়া, চট্টগ্রামের ১৩ টি নমুনা এদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় বাঁশখালীর ৩ টিতে জীবাণুর উপস্থিতি চিহ্নিত হয়।
রিপোর্ট পর্যবেক্ষণে ল্যাবভিত্তিক সংক্রমণ হার নির্ণিত হয়, বিআইটিআইডি’তে ৪ দশমিক ৫৩, চবি’তে ৩৩ দশমিক ৭৬, সিভাসু’তে ৯ দশমিক ৯২, চমেকে ২১ দশমিক ৬৮, আরটিআরএলে ২৫ শতাংশ, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৯ দশমিক ০৯, মা ও শিশু হাসপাতালে ২৬ দশমিক ৩১ এবং কক্সবাজার মেডিকেলে ২৩ দশমিক ০৭ শতাংশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...