×
ব্রেকিং নিউজ :
উপসাগরীয় অঞ্চল সফরে স্টারমার ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুক্রবার ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত বিজয়’: ট্রাম্প হাভার্টজের শেষ মুহূর্তের গোলে স্পোর্টিংকে হারিয়ে এগিয়ে গেল আর্সেনাল বিজয়ের সঙ্গে পরকীয়ার গুঞ্জনের মধ্যে এলো ব্যবসায়ীর সঙ্গে তৃষার বিয়ের খবর সিলেটের সঙ্গে ১৮ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্যাক্স কর্মকর্তারা জনগণের বন্ধু, আতঙ্ক নয় : হুইপ বকুল শিশু হাসপাতালে নতুন বহির্বিভাগ ইউনিট উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৮-০২
  • ৪৮৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গু ছড়ানোর পেছনে বাংলাদেশের মশাদের সক্রিয় ভূমিকা থাকতে পারে : মমতা

পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গু ছড়ানোর পেছনে বাংলাদেশের মশাদের সক্রিয় ভূমিকা থাকতে পারে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে খুব ডেঙ্গু হচ্ছে। আমাদের বাড়তি সাবধানতা নিতে হবে। সীমান্ত এলাকায় মশা ও-পার থেকে এ-পারে আসে, এ-পার থেকে ও-পারে যায়। দু’পারেই অনেক লোকও যাতায়াত করেন।’ সব মিলিয়ে তাই ডেঙ্গু সংক্রমণের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। খবর- আনন্দবাজার এর।সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ১৭ হাজার ১৮৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত। গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ১৪৭৭। ঢাকায় মৃত ১৪। কলকাতা পৌরসভার কাছে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ডেঙ্গু মোকাবেলা পদ্ধতি সম্পর্কে বুঝতে বাংলাদেশ প্রস্তাব পাঠিয়েছে। বিষয়টি বিবেচনাধীন।

বৃহস্পতিবার ‘সবুজ বাঁচাও’ অভিযানের ডাক দিয়ে বিড়লা তারামণ্ডল থেকে নজরুল মঞ্চ পর্যন্ত পদযাত্রা করেন মমতা। সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য এই মিছিলের শেষে বক্তৃতায় অন্য নানা প্রসঙ্গের সঙ্গে ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ জানান মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে কিছু হলে এখানে তার প্রভাব পড়ে। তাই সীমান্ত এলাকাগুলোতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে।’ এ ছাড়াও সাধারণভাবে ডেঙ্গুর মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সতর্কতা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন করে দেন মমতা।

ইতোমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে ৭০০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে সব থেকে বেশি রোগী গেছে গিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তবর্তী এলাকা হাবরায়। জেলার সরকারি হিসেব অনুযায়ী, প্রায় ৫০ -৬০ শতাংশ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী পাওয়া গিয়েছে এখানে। জেলার ব্যারাকপুরে ৫৬, অশোকনগর-কল্যাণগড়ে ৫৬, ভাটপাড়ায় ৩৮, বিধাননগরে ৩০ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। জেলার টিটাগড়ে ৫৩, পানিহাটিতে ৪০ এবং খড়দায় ৩৬ জন ডেঙ্গু রোগী পাওয়া গিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat