স্টার জলসার অন্তর্বর্তী ধারাবাহিকগুলির মধ্যে ‘কে আপন কে পর’-কে ছাড়িয়ে ‘শ্রীময়ী’ প্রথমে। গত সপ্তাহের টিআরপি তালিকাতেও একই চিত্র। কী মনে হচ্ছে?
‘কে আপন কে পর’ ধারাবাহিকের নায়িকা জবা ওরফে পল্লবী শর্মা বললেন, “আমাদের সিরিয়াল চলছে সাড়ে তিন বছরের ওপর। আর ‘শ্রীময়ী’ প্রায় নতুন। নতুন সিরিয়ালে ফ্রেশনেস থাকেই। কিন্তু এত বছর পরেও আমরা সেকেন্ড পজিশন হোল্ড করছি এবং কোনও কোনও সপ্তাহে স্টারের নাম্বার ওয়ানেও চলে আসছি। আমার মনে হয়, এ সব ছোটখাট বিষয় নিয়ে এত মাথা ঘামালে প্রবলেম আছে। কারণ, আমাদের জার্নিটা লং জার্নি। আমাদের সিরিয়াল এখনও চলছে এবং ভাল টিআরপি দিচ্ছে, সেটা আমার মনে হয় পজিটিভ একটা দিক।”
ধারাবাহিকের নায়ক পরমের ভূমিকায় বিশ্বজিৎ ঘোষ যোগ করলেন, “নতুন সিরিয়াল, নতুন চমক, নতুন সব কিছু। কিন্তু এত বছর পরেও আমরা একটা পজিশন হোল্ড করে আছি সেটাই আমাদের কাছে সেলিব্রেট করার মতো বিষয়, একটা ভাল বিষয়।”
পল্লবীর সঙ্গে শুটের ফাঁকে কী চলে? বিশ্বজিৎ বললেন, “ভীষণ ঝগড়া চলছে।”
সেকি! কেন? বিশ্বজিতের মুখে দুষ্টুমির হাসি, “ও বলছে ওর জন্য টিআরপি বাড়ছে। আমি বলছি আমার জন্য টিআরপি বাড়ছে। এই নিয়ে ঝগড়া।”
কার জন্য ‘কে আপন কে পর’-এর টিআরপি বাড়ে? বিশ্বজিৎ বিশ্লেষণাত্মক, “সত্যিটা তো আমিও জানি। মেয়েদের জন্যই বাড়ে, সিরিয়ালে মেয়েদেরই হাইলাইট করা হয়। জবার জন্যই টিআরপি বাড়ছে। সে জন্য ‘জবা সিরিয়াল’ বলা হয়। আসলে একটা ইস্যু নিয়ে ঝগড়া করতে হয় তাই করি। হা হা হা...”
সিরিয়ালে মেয়েদের প্রাধান্য। বিষয়টা কী ভাবে নেন? বিশ্বজিৎ উল্টো দিক থেকে আলো ফেললেন, “এটা তো মানতেই হবে। বেশির ভাগ মেয়ে সারাদিন বাড়িতে থাকে। সে জন্য মেয়েরাই বেশি সিরিয়াল দেখে। যাদের জন্য সিরিয়াল তাদের প্রাধান্য তো হবেই। ব্যাপারটা যদি উল্টো হত, ছেলেরা বাড়িতে বেশি থাকত আর মেয়েরা বাইরে বেরোত, তা হলে ছেলেদের হাইলাইট করা হত।”