×
ব্রেকিং নিউজ :
বিগত সরকারের স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতি নজিরবিহীন : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে হজ যাত্রীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত মেহেরপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন সরকার ক্ষমতায় এসে দ্রুতই নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন শুরু করেছে বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান রাজধানীর কিছু স্কুলে পরীক্ষামূলক অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা সরকারের : শিক্ষামন্ত্রী শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৬-২৭
  • ৫৭৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

 রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীর পাশাপাশি ১০৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত এমএনএ (জাতীয় পরিষদের সদস্য) ও এমপিএদের (আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য) মধ্যে যারা পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিলেন তাদের তালিকাও তৈরি করা হবে।
আজ সংসদে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির উপস্থাপিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বিলের রিপোর্টে এই ধারা যুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।
কমিটির সভাপতি শাজাহান খান এ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করেন।
এর আগে গত ৬ জুন ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বিল-২০২২’ সংসদে উত্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
সংসদে উত্থাপন করা বিলে বলা হয়েছে, ‘১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ মার্চ হইতে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত যাহারা মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীর সদস্য হিসেবে কর্মকা-ে লিপ্ত ছিলেন বা আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্য হিসেবে কর্মকা-ে লিপ্ত ছিলেন বা আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্য হিসেবে সশস্ত্র যুদ্ধে নিয়োজিত থাকিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করিয়াছেন বা খুন, ধর্ষণ, লুট, অগ্নিসংযোগের অপরাধমূলক ঘৃণ্য কার্যকলাপ দ্বারা নিরীহ মানুষকে হত্যার মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধ সংগঠিত করিয়াছেন অথবা একক বা যৌথ বা দলীয় সিদ্ধান্তক্রমে প্রত্যক্ষভাবে, সক্রিয়ভাবে বা পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করিয়াছেন; তাহাদের তালিকা প্রণয়ন ও গেজেট প্রকাশের জন্য সরকারের নিকট সুপারিশ প্রেরণ করবে।’
সংসদীয় কমিটি ‘মুজাহিদ বাহিনী’ ও ‘পিস কমিটির’ সদস্যদের তালিকা তৈরির বিধান রাখার পাশাপাশি ১৯৭০ সালের নির্বাচনে যাঁরা এমএনএ ও এমপিএ নির্বাচিত হয়ে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিলেন, আর বাংলাদেশের পক্ষ নেয়ার কারণে শূন্য ঘোষিত আসনে উপনির্বাচনে পাকিস্তান সরকারের নির্বাচিত এমএনএ ও এমপিএ হয়েছেন তাদের তালিকা তৈরির বিধানের সুপারিশ করেছে।
সংসদে উত্থাপিত বিলে বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইনে উল্লেখিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা এই আইনে গৃহীত হবে। সংসদীয় কমিটি ওই সংজ্ঞা বিলের ধারায় যুক্ত করেছে।
বিলে কাউন্সিলের আটজন সদস্য প্রধান উপদেষ্টা মনোনয়ন দেয়ার বিধানের প্রস্তাব করা হয়। এ আট জনকে বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক কর্মকা-ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হতে হবে বলে বিলে উল্লেখ করা হয়।
বিলে উপদেষ্টা পরিষদে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী থাকবেন বলে প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া  প্রধান উপদেষ্টা কর্তৃক মনোনীত পাঁচজন সদস্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের ফোর্স কমান্ডার, সাব সেক্টর কমান্ডার অথবা কমান্ডারসমূহের বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, এই বিষয়ক কর্মকা-ে সংশ্লিষ্ট কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তি বা বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের রাখার বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবও এই পরিষদে থাকবেন বলে প্রস্তাব করা হয়।
বিলে কাউন্সিল মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা সংশ্লিষ্ট সব সংগঠনের নিবন্ধন প্রদান, সাময়িকভাবে স্থগিত ও বাতিল করতে পারবে বলে বিধানের প্রস্তাব করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat