বুধবার শাহবাগে বাংলাদেশ-চীন জয়েন্ট সার্জিক্যাল ক্লিনিক চালুর লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ছবি : পিআইডি
দেশে সব ধরনের টিকা পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আগামী ৬ মাসে টিকা দিতে কোনো সমস্যা হবে না। টিকার কোনো সংকট নেই।
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের ছয় মাসের (টিকা) মজুত আছে, অন দ্য লাইনে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণ। পরবর্তী ছয় মাস পর্যন্ত আমরা ভ্যাকসিন দিয়ে যেতে পারবো।’
আজ রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ-চীন জয়েন্ট সার্জিক্যাল ক্লিনিক চালুর লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
চীনের কুনমিং মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চীন সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছে। দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণেই এই সমঝোতা হয়েছে।
চীন বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক সহায়তাসহ নানামুখী কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, করোনা মহামারির সময়েও চীন বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে।
চীনের সহযোগিতায় স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাসেবা এবং যৌথ সার্জিক্যাল ক্লিনিক চালুর মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যেই আজ চীনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
লোকবল সংকট নিরসনে শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সব উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য ১০জন সশস্ত্র আনসার নিয়োগ করা হবে।
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, দেশে হামের সংক্রমণ বাড়লেও টিকার পর্যাপ্ত মজুত আছে। এটি মজুত থাকায় আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জটিল অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসায় দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।