×
ব্রেকিং নিউজ :
সিলেটে ছাত্রশিবিরের ৪৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রাম মহানগর শিবিরের বর্ণাঢ্য র‌্যালি ছুটিতে বাড়ি ফেরা হলো না মুরাদের, ট্রেন দুর্ঘটনায় নিভে গেল সম্ভাবনাময় জীবন বাঞ্ছারামপুরকে একটি সমৃদ্ধ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিণত করা হবে : জোনায়েদ সাকি প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর ও উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিএনপির পুরোনো রাজনৈতিক শক্তিগুলো নতুন মোড়কে বিভ্রান্তের চেষ্টা করছে : চরমোনাইর পীর অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার নতুন নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর বাংলাদেশের মানুষ আজ পরিবর্তন চায় : নাহিদ ইসলাম দুই বছরে তিন প্রধানমন্ত্রী: নতুন সরকার গঠনে ভোট দিচ্ছে থাইল্যান্ড ভিনদেশি প্রভাবে নয়, দেশের জনগণের সিদ্ধান্তেই রাজনীতি হওয়া উচিত : কর্ণেল অলি
  • প্রকাশিত : ২০১৭-০৪-১৬
  • ৭৪৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ড্রেনের ধারে কুড়িয়ে পাওয়া অন্ধ ফারজানা এখন যুবতী , সে আশ্রয় ও নিরাপত্তা চায়
আবু বকর সিদ্দিক, দিনাজপুর প্রতিনিধি:-ড্রেনের ধারে কুড়িয়ে পাওয়া ফারজানা খাতুন (ফাতেমা) নামের মেয়েটি আজ পুর্নবতী যুবতী ও এসএসসি পরীক্ষার্থী। তবে মেয়েটি অন্ধ, দুই চোখে সে দেখতে পায় না, তার আশ্রয়দাতা পালিত মা সুরুজ বানু একজন ভিক্ষুক ছিলেন। গত ২০১৭ সালের ২০ফেব্রুয়ারী তিনি মারা যান। বর্তমানে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে ফারজানা খাতুন (ফাতেমা) সে আপাতত দিনাজপুরের মাঝাডাঙ্গার মানবপল্লী (হিজড়াপল্লী)তে রয়েছেন। তার খোঁজ খবর রাখছেন মমতা পল্লী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোঃ ইয়াকুব আলী। প্রথমে জয়পুরহাট খঞ্জনপুর চার্জচকগড বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণী পর্যন্ত লেখা পড়া করে ও পরে আরডিআরএস বাংলাদেশের সহায়তায় লালমনিরহাট অন্ধ স্কুলে লেখা পড়া করে বর্তমানে সে এখন এসএসসি পরীক্ষার্থী। ঠিক এই মুহুর্তে ফান্ডের অভাবে আরডিআরএস কর্তৃপক্ষ তার ভরন পোষন চালাতে অপারগতা জানায়। নিরুপায় হয়ে সে ফিরে আসে দিনাজপুরে। কিন্তু এখানে ভিক্ষুক সুরুজ বানু বেচে নেই, অন্ধ যুবতী মেয়ে কোথায় যাবে? কেবা তার দায়িত্ব নেবে? কে এই অন্ধ মেয়ের হাত ধরে পথ দেখাবে এমন প্রশ্ন উঠে আসে সবার মুখে মুখে। সে বর্তমানে হিজড়াপল্লীতে বসবাসকারী দিনমুজুর সুলতান আহম্মেদের স্ত্রী পারুল বেগমের আশ্রয়ে আছে। এই পল্লী একটি নির্জন এলাকা, যুবতী মেয়েরা এখানে নিরাপদ নয়। অভিভাবকহীন কুড়িয়ে পাওয়া মেয়ে অন্ধ ও যুবতী যার একা চলাফেরা করার ক্ষমতা নেই। যেকোন সময় ফাতেমার যৌবনের উপর হামলা হতে পারে। তার অসহায়ত্ত্বের কথা বর্ননাহীন। বর্তমানে মমতা পল্লী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ইয়াকুব আলী অসহায় ফাতেমার নিরাপত্তা ও আশ্রয়ের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন কিন্তু এই অন্ধ যুবতীকে কেউ আশ্রয় দিতে নারাজ। অন্যদিকে মেয়েটি এসএসসি পরীক্ষার ভবিষ্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে ঘুর পাক খাচ্ছে। দিনাজপুর জেলায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ছেলেদের জন্য বেসরকারী আবাসিক বিদ্যালয় থাকলেও মেয়েদের জন্য কোন ব্যবস্থা নেই। তাই কোন বিত্তবান সহৃদয় ব্যক্তি কিংবা সরকারী বেসরকারী সংস্থা বা সরকার মেয়েটিকে নিরাপত্তা আশ্রয় দিতে ও সহায়তার সাথে রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসবে এমনটি প্রত্যাশা এলাকাবাসীর। ফাতেমাকে সহযোগীতা প্রেরনের ঠিকানা- ফারজানা খাতুন, সঞ্চয়ী হিসাব নং- ৮৪৫২, রূপালী ব্যাংক চেহেলগাজী শাখা, দিনাজপুুর। সর্ব যোগাযোগের ঠিকানা মোঃ ইয়াকুব আলী, নির্বাহী পরিচালক মমতা পল্লী উন্নয়ন সংস্থা, সুইহারী, মোবাঃ ০১৭৬৮৮৮৩৪১৭।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat