কলম্বিয়ায় উদ্ধারকারীরা গতকাল শুক্রবার একটি অবৈধ কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের পর নিহত দুই শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে। এখনও আরও চারজনের খোঁজে অনুসন্ধান অভিযান অব্যাহত রয়েছে, তবে, ধারণা করা হচ্ছে তারা বেঁচে নেই।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গত বৃহস্পতিবার দেশটির রাজধানী বোগোটাকে ঘিরে থাকা কলম্বিয়ার কুন্ডিনামার্কা বিভাগের গুয়াচেটাতে খনিতে একটি বিস্ফোরণে ছয়জন আটকা পড়েন।
এএফপির সাংবাদিকরা বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, পুলিশ এবং অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর ফরেনসিক তদন্তকারীদের একটি দল স্ট্রেচারে করে দুটি মৃতদেহ সরিয়ে নিয়েছে।’
উদ্ধারকারী দল উদ্ধার কাজ চলিয়ে যাচ্ছে। পাইন বনের মধ্যে অবস্থিত খনির বাইরে খনি শ্রমিকদের আত্মীয়স্বজনরা অপেক্ষা করছে।
২৪ বছর বয়সী খনি শ্রমিক ডুভান কার্ডেনাস এএফপিকে বলেন, ‘আগামীকাল থেকে আমি আর খনিতে কাজ করব না। আমি খনির কাজ ছেড়ে অন্য পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
গভর্নর জর্জ এমিলিও রে পূর্বে রেডিও ব্লুকে বলেছেন, ‘বাকি চারজন অক্সিজেনের অভাবে মারা গেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।’
রে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে বলেন, ‘ছয়জন খনি শ্রমিকের মধ্যে দুজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে।’
তিনি বলেন, উচ্চ মাত্রার মিথেন গ্যাসের কারণে উদ্ধার প্রচেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে।
দমকল বিভাগের কর্মকর্তা আলভেইরো আগুইলন এএফপিকে বলেন, ‘খনি শ্রমিকদের উদ্ধারের জন্য আমরা সারা রাত কাজ করেছি।’
রে বলেছেন যে, কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খনি ‘বন্ধের আদেশ’ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু যথাযথ অনুমতি ছাড়াই কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল।
কোলম্বিয়ায় খনির দুর্ঘটনা ঘনঘন ঘটে এবং বিশেষ করে অবৈধ খনিগুলোতে প্রায়শই তা প্রাণঘাতী হয়।